মুক্তার বাণিজ্যিক চাষের পরিকল্পনা করছে সরকার
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

মুক্তার বাণিজ্যিক চাষের পরিকল্পনা করছে সরকার

ঝিনুক থেকে উৎপাদিত মূল্যবান পাথর রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রার আয় বাড়াতে দেশে মুক্তা চাষের পরিকল্পনা করছে সরকার। চীন, জাপান, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম ও ভারতে মুক্তা চাষে সফলতা পাওয়ার পরই এমন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।pearl

মুক্তা চাষের উদ্দেশ্যে কিছু শর্ত সাপেক্ষে ভিয়েতনাম সরকারের সঙ্গে একটি চুক্তি করা হবে বলে জানিয়েছে মৎস্য ও পশুসম্পদ মন্ত্রণালয়।

এ লক্ষ্যে গত মার্চে ভিয়েতনাম ভ্রমণ করেছিল ৫ সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল। গত ১৫ থেকে ২০ মার্চের ওই সফরের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মৎস্য ও পশুসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ সায়েদুল হক। সে সময়ে ভিয়েতনামের কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রী চ্যাও ডাগ ফ্যাটের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।

ওই প্রতিনিধি দলের একজন সদস্য জানান, বাংলাদেশের সঙ্গে কাজের ক্ষেত্রে দক্ষিণ চীন সাগরে মুক্তা চাষের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে আগ্রহী ভিয়েতনাম।

উন্নতমানের মুক্তা চাষের জন্য বাংলাদেশকে প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে ভিয়েতনামের ওই মন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন বলে জানান তিনি।

মৎস্য ও পশুসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ সায়েদুল হক বলেন, স্বাদুপানিতে বাণিজ্যিকভাবে মুক্তা চাষে সফলতা পেয়েছে ভিয়েতনাম। ওই দেশের ঝিনুক বাংলাদেশের ঝিনুকের তুলনায় অনেক বড় হয়।

তিনি জানান, মুক্তা চাষের জন্য ভিয়েতনাম থেকে উন্নতমানের উচ্চ ফলনশীল জাতের ঝিনুক আমদানি করা হবে।

মুক্তা চাষে সহায়তার জন্য বাংলাদেশকে ২০১২ সালে আশ্বাস দিয়েছিল ভিয়েতনাম। সে সময়ে দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছিল। ওই চুক্তি অনুযায়ী দ্রুত মুক্তা চাষ শুরু করার উদ্যোগ নিতে সম্প্রতি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী, দেশে মুক্তা চাষ শুরুর প্রযুক্তিগত সহায়তার জন্য ২০১২ সালের জুলাই থেকে ২০১৭ সালের জুন মাসের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১৫ কোটি ৬২ লাখ টাকা একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ ফিশারিজ রিসার্স ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই)। এ প্রকল্পের আওতায় উচ্চ ফলনশীল জাতের ঝিনুক চাষের প্রস্তুতি হিসেবে একটি জরিপ চালিয়েছে সংস্থাটি।

অর্থসূচক/এনএ/এমই/

এই বিভাগের আরো সংবাদ