রাসেলের বিরুদ্বে রাষ্ট্রদ্রোহ ও তথ্য প্রযুক্তি আইনে মামলা

sattar_arrestআল কায়েদার অডিও বার্তা প্রকাশের দায়ে আটক রাসেল বিন সাত্তার খান বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল থানায়  রাষ্ট্রদ্রোহ ও তথ্য প্রযুক্তি আইনে দুইটি মামলা করেছে র‌্যাব।

বুধবার দুপুরে র‌্যাব এ টাঙ্গাইল থানায় মামলা দায়ের করে।

মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে টাঙ্গাইলের মাঝিপাড়া থেকে রাসেলকে আটক করা হয়। এরপরেই তাকে ঢাকায় নিয়ে আসে র‌্যাব।

ঢাকার র‌্যাব সদর দপ্তরে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়। সেসময় রাসেল ভিডিও প্রকাশের দায় স্বীকার করে বলেন, বাংলাদেশে এটা প্রচারের জন্য আমি দায়ী। দাওয়া ইলাল্লা নামের ওয়েবসাইট থেকে আমি পাওয়া পর আমার দেশ ও ইসলামের আলো নামে আমার দুটি ব্লগে পোস্ট করি।

র‌্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তার সঙ্গে আল কায়েদার যোগাযোগ আছে। রাসেল ফেইসবুক পেইজ বাঁশের কেল্লাসহ বেশ কয়েকটি উগ্রপন্থী ওয়েবসাইটের ‘অ্যাডমিন’ বলেও জানিয়েছে র‌্যাব।

আটকের সময় রাসেলের সঙ্গে তিনটি মোবাইল ফোন, দুটি ল্যাপটপ ও বেশ কিছু জিহাদি বই পাওয়া গেছে।

সম্প্রতি এক ভিডিও বার্তায় জঙ্গী সংগঠন আল কায়েদার বাংলাদেশে ‘ইসলাম বিরোধীদের’ বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছে।’ বাংলাদেশ : আ ম্যাসাকার বিহাইন্ড দ্য ওয়াল অফ সাইলেন্স’ অর্থাৎ ‘বাংলাদেশ: নীরবতার দেয়ালের আড়ালে একটি গণহত্যা’ শিরোনামের ভিডিও বার্তাটিতে দাবী করা হয় যে, মুসলমানদের ওপর গণহত্যা চালানো হচ্ছে, কিন্তু মুসলিমরা এবিষয়ে সম্পূর্ণ অচেতন।

ভিডিও বার্তায় বলা হয়, ‘আমার বাংলাদেশি মুসলিম ভাইয়েরা, ইসলামের বিরুদ্ধে যারা ক্রুসেড পরিচালনা করছে তাদের প্রতিরোধ করার জন্য আমি আপনাদের আহ্বান জানাচ্ছি। উপমহাদেশ এবং পশ্চিমের শীর্ষ ক্রিমিনালরা ইসলামের বিরুদ্ধে, নবীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। তারা মুসলিম উম্মার বিরুদ্ধেও ষড়যন্ত্র করছে। তারা আপনাদের অবিশ্বাসী এবং উৎপীড়ক ব্যবস্থার দাস বানাতে পারে।’

আলকায়েদার এই বার্তা নিয়ে দেশব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ে সরকার ও বিএনপি পরস্পরকে দোষারোপ করে।