প্যাকেজ ভ্যাট বহাল রাখার প্রস্তাব ডিসিসিআইয়ের
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » জাতীয়

প্যাকেজ ভ্যাট বহাল রাখার প্রস্তাব ডিসিসিআইয়ের

দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের কথা বিবেচনা করে ২০২১ সাল পর্যন্ত ‘প্যাকেজ ভ্যাট’ বহাল রাখার প্রস্তাব করেছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)।

সোমবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের সাথে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে ডিসিসিআই নেতারা এ প্রস্তাব তুলে ধরেন।

ঢাকা চেম্বারের লোগো। ছবি: সংগৃহিত

ঢাকা চেম্বারের লোগো। ছবি: সংগৃহিত

সংগঠনের সভাপতি হোসেন খালেদ বলেন, দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের কথা বিবেচনা করে ‘প্যাকেজ ভ্যাট’ বহাল রেখে ২০২১ সাল পর্যন্ত ১০ শতাংশ হারে বৃদ্ধির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। একইসঙ্গে ২০২১ সালের পর প্রস্তাবিত ১৫ শতাংশ ভ্যাটকে অতিক্ষুদ্র ও ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য ৩ শতাংশ, মাঝারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য ৫ শতাংশ এবং বৃহৎ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য ৭ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

এসময় ঢাকা ও চট্রগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বিদ্যমান ভ্যাট ১৪ হাজার টাকার পরিবর্তে ১৫ হাজার করার প্রস্তাব করেন তিনি।

বৈঠকে অর্থমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ দারিদ্র্য বিমোচনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। দেশের বেসরকারি খাতকে আরও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনে সরকারের সাথে একযোগে কাজ করার আহবান জানান তিনি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মত ঘনবসতিপূর্ণ দেশে কয়লা খনি থেকে কয়লা উত্তোলন বেশ কষ্টসাধ্য এবং এতে অনেক ক্ষেত্রেই নানা সমস্যা তৈরি হয়। এ কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে অধিক হারে গ্যাস ব্যবহার করতে হচ্ছে।

হোসেন খালেদ বলেন, ঢাকা চেম্বারের প্রস্তাবনার প্রেক্ষিতে এনবিআর করদাতাদের সম্মানে সীমিতভাবে হলেও ট্যাক্স কার্ড প্রদান শুরু করেছে। ট্যাক্স কার্ডের আওতা বাড়ানোর পাশাপাশি ট্যাক্স কার্ডকে স্মার্ট কার্ডে রূপান্তরের প্রস্তাব করেন তিনি।

ঢাকা চেম্বারের সভাপতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জন্য ব্যাক্তিগত করমুক্ত আয়ের সীমা সাড়ে তিন লাখ টাকা করার প্রস্তাব করেন।

এছাড়াও তিনি কর্পোরেট করের হার ৪৫ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ৩৫ শতাংশ এবং মার্চেন্ট ব্যাংকের ক্ষেত্রে কর্পোরেট করের হার ৩৭ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ৩৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করেন। তিনি রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে দেশব্যাপী করের আওতা বৃদ্ধির সুপারিশ করেন।

এছাড়াও পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি হতে প্রাপ্ত লভ্যাংশ আয় ২৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ হাজার পর্যন্ত করমুক্ত এবং ব্যাংক বহির্ভূত চ্যানেলের মাধ্যমে লেনদেন ৫০ হাজার টাকার পরিবর্তে এক লাখ টাকা করার প্রস্তাব করেন ঢাকা চেম্বারের সভাপতি।

বৈঠকে ডিসিসিআই ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি হুমায়ুন রশিদ, সহ-সভাপতি খ. আতিক-ই-রাব্বানী, পরিচালক এ কে ডি খায়ের মোহাম্মদ খান, কামরুল ইসলাম, মামুন আকবর, মোক্তার হোসেন চৌধুরী, ওসমান গনি, রিয়াদ হোসেন ও সেলিম আকতার খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: বাসস

এই বিভাগের আরো সংবাদ