গণপূর্তমন্ত্রীর দুর্নীতির তদন্ত চালাতে আপিল বিভাগের নির্দেশ
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

গণপূর্তমন্ত্রীর দুর্নীতির তদন্ত চালাতে আপিল বিভাগের নির্দেশ

গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসনের বিরুদ্ধে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় দুর্নীতি দমন কশমিনের (দুদক) করা একটি মামলায় তদন্ত অব্যাহত রাখতে নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

দুদকের করা লিভ টু আপিলের নিষ্পত্তি করে আজ রোববার এই রায় দেয় প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস.কে.) সিনহা নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ। এর আগে এই দুর্নীতি মামলা থেকে মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসনকে অব্যাহতি দিয়েছিল হাইকোর্ট।

আজকের শুনানিতে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার তানজিব-উল আলম। আর দুদকের শুনানি করেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী মোশাররফ হোসেন।

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী মোশাররফ হোসেন।

দুদকের আইনজীবী জানান, হাইকোর্টের রায় বাতিল হওয়ায় ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির এই অভিযোগের তদন্ত চালাতে আর কোনো আইনি বাধা থাকল না।

প্রসঙ্গত, ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। সেই সময়ে সরকারি জমি নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগে ২০০৭ সালের ২২ নভেম্বর চট্টগ্রামের ডবলমুরিং থানায় একটি মামলা করেন দুদকের উপ পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ এলাকায় কার পার্কিংয়ের জন্য বরাদ্দকৃত একটি জায়গা তিন তারকা হোটেল গোল্ডেন ইন নির্মাণের জন্য ইজারা দেওয়ার সুপারিশ করেন মোশাররফ হোসেন। ১ দশমিক ৪৪ বিঘা আয়তনের ওই জমির মূল্য ধরা হয় এক কোটি ৬৯ লাখ ২০৭ টাকা। পরে ‘লিজের শর্ত ভেঙে’ মেসার্স সানমার হোটেল লিমিটেডের নামে ওই জমির ইজারা নিবন্ধন করা হয়। এক্ষেত্রে দলিলে উল্লেখিত দামের চেয়ে সানমার হোটেলের কাছ থেকে ২ কোটি ৯২ লাখ ৭৮ হাজার ৭৪৮ টাকা বেশি আদায় করা হয়েছে।

ওই মামলায় ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, ফটিকছড়ির সাবেক সংসদ সদস্য রফিকুল আনোয়ার এবং তার ভাই হোটেল গোল্ডেন ইন লিমিডেটের পরিচালক ফখরুল আনোয়ারকে আসামি করা হয়।

ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ মামলাটি বাতিলের আবেদন করলে ২০০৮ সালে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ রুল জারি করে। ওই রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১২ সালের ২০ নভেম্বর বিচারপতি এ.এইচ.এম. শামসুদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি ফরিদ আহমেদের বেঞ্চ মামলাটি বাতিল করে। পরে এর বিরুদ্ধে আপিলের আবেদন করে দুদক।

অর্থসূচক/বিএন/এমই/

এই বিভাগের আরো সংবাদ