বিদেশি ঋণ সংগ্রহ কমেছে ৩২%
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

বিদেশি ঋণ সংগ্রহ কমেছে ৩২%

বিদেশি উৎস থেকে দেশীয় প্রতিষ্ঠানের ঋণ সংগ্রহ উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। বিনিয়োগ বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত আলোচ্য খাত থেকে ২১ কোটি ১৬ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার ঋণ সংগ্রহ করা হয়েছে; যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৩২ শতাংশ কম।

বিনিয়োগ বোর্ডের দুইটি বৈঠকে ৪৫টি প্রতিষ্ঠানের বিপরীতে এই ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়। সংগ্রহকৃত ঋণের বড় অংশ টেলিকমিউনিকেশন, তৈরি পোশাক, বিদ্যুৎ এবং ওষুধ খাতে বিনিয়োগ করা হয়েছে। এছাড়া ইস্পাত শিল্প, খাদ্য এবং নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী উৎপাদন খাতেও বিদেশি ঋণের অর্থ বিনিয়োগ করা হয়েছে।

Dollar to Chinese yuan

বোর্ডের তথ্য অনুসারে, ২০১৫ সালের প্রথম চার মাসে ৩টি বৈঠকে ৩১ কোটি ২৪ লাখ ৩০ হাজার ডলারের বিদেশি ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। পুরো বছরে ১৩১টি প্রতিষ্ঠান মোট ১৮৮ কোটি ডলারের বিদেশ ঋণ সংগ্রহ করেছিল।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, স্থানীয় ব্যাংকগুলোতে ঋণের বিপরীতে সুদ হার কমার কারণে বিদেশি ঋণ সংগ্রহে পতন দেখা যাচ্ছে। কেউ কেউ বলছেন, দেশে বিনিয়োগ কমে যাওয়ায় বিদেশি ঋণের চাহিদাও কমেছে।

ঋণ সংগ্রহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো জানিয়েছে, চাহিদার বিপরীতে স্থানীয় উৎসগুলো যখন প্রয়োজনীয় অর্থ সংস্থান করতে পারে না, তখনই বিদেশি উৎস থেকে ঋণ নেওয়া হয়। স্থানীয় ভাবে সুদ হার কমায় এখন অনেকেই আর বিদেশি ঋণে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।

কম সুদে বিদেশি ঋণ নিয়ে তা স্থানীয় ব্যাংকে আমানত হিসেবে জমা রাখত বলে স্থানীয় কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়ভাবে আমানতের সুদ বিদেশি ঋণের চেয়ে বেশি হওয়ায় সংগ্রহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো যথাযথ খাতে অর্থ বিনিয়োগ না করেই মুনাফা করত। বিদেশি ঋণ অপব্যবহারের অভিযোগের প্রমাণ পাওয়ায় বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানাও করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালে ১৫৬ কোটি ডলার, ২০১২ সালে ১৫৮ কোটি ডলার, ২০১১ সালে ৯৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার বিদেশি ঋণ সংগ্রহ করেছিল স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো।

অর্থসূচক/এসবি/এমই/

এই বিভাগের আরো সংবাদ