পদ্মা মেঘনা যমুনার ব্যাংক হিসাব জব্দ হচ্ছে না
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » পুঁজিবাজার
ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে সমঝোতা

পদ্মা মেঘনা যমুনার ব্যাংক হিসাব জব্দ হচ্ছে না

মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ইস্যুতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সঙ্গে সমঝোতা হয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি)। ভ্যাট নিয়ে বিরোধের পরিপ্রক্ষিতে এনবিআর  তালিকাভুক্ত কোম্পানি পদ্মা অয়েল, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, যমুনা অয়েল এবং তালিকাবহির্ভুত কোম্পানি স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল লিমিটেডের ব্যাংক হিসাব জব্দ করার ঘোষণা দিয়েছিল। সমঝোতার কারণে কোম্পানি চারটির হিসাব আর জব্দ হচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) আওতাধীন আলোচিত চার কোম্পানির কাছে প্রায় ২ হাজার ৬৮৯ কোটি টাকা ভ্যাট বকেয়া রয়েছে বলে দাবি এনবিআরের। দীর্ঘদিন ধরে এই পাওনা পরিশোধ করা হচ্ছে না এমন অভিযোগে কোম্পানি চারটির ব্যাংক হিসাব জব্দ করার সিদ্ধান্ত নেয় এনবিআর। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে কোম্পানি চারটিকে দুই দফা চিঠিও দেয় এনবিআর।

ভ্যাট সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে বুধবার এনবাআর চেয়ারম্যানের সঙ্গে জরুরী বৈঠকে বসেন জ্বালানি সচিব এবং পেট্রবাংলার চেয়ারম্যান। বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে সমঝোতা হয় বলে জানা গেছে। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুসারে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা এনবিআরকে এ সপ্তাহেই ১০০ কোটি টাকা করে ভ্যাট দেবে।

এ বিষয়ে মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের কোম্পানি সচিব কামরুল ইসলাম অর্থসূচককে বলেন, ভ্যাট ইস্যু নিয়ে এনবিআরের সঙ্গে কিছু ভুল বোঝাবুঝি ছিল। তা দূর হয়েছে।

যমুনা অয়েল কোম্পানির কোম্পানি সচিব নাজমুল ইসলাম বলেন, আমরা বিপিসির কাছে নিয়মিত ভ্যাট দিয়ে গিয়েছি। বিপিসি তা এনবিআরে সঠিকভাবে জমা দিয়েছে কি-না তা বিপিসি ও এনবিআরের বিষয়। তবে আমার জানা মতে, বিপিসি এনবিআরকে প্রাপ্য টাকার চেয়েও অনেক বেশি ভ্যাট আগাম দিয়ে রেখেছে।

পদ্মা অয়েল কোম্পানির সচিব মহিউদ্দিন অর্থসূচককে বলেন, এনবিআর, বিপিসি এবং পদ্মা, মেঘনা, যমুনা সবই সরকারি প্রতিষ্ঠান। তাই একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব অন্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের করার কথা নয়। এ বিষয়ে বস্তুত কিছু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। সেটি দূর হয়ে গেছে।

এই বিভাগের আরো সংবাদ