সারচার্জ প্রত্যাহার চান ব্যবসায়ীরা
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » অর্থনীতি

সারচার্জ প্রত্যাহার চান ব্যবসায়ীরা

বর্তমানে প্রদর্শিত সম্পদের উপর যে নীতির ভিত্তিতে সারচার্জ আরোপ করা হচ্ছে তা ন্যায় ও সমতার পরিপন্থী। বিশেষ করে বিদ্যমান কর নীতিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করে ব্যবসায়ীদের সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডিস্ট্রিজ (এফবিসিসিআই)। আগামী বাজেটে সংগঠনটি এই সারচার্জ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) পরামর্শক কমিটির ৩৭তম সভায় এফবিসিসিআই এর পক্ষ থেকে দেওয়া প্রস্তাবনায় এসব কথা বলা হয়।

FBCCI NBR

বৃহস্পতিবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) পরামর্শক কমিটির ৩৭তম সভায় এফবিসিসিআই এর পক্ষ থেকে প্রস্তাবনা দেওয়া হয়। ছবি মহুবার রহমান

প্রস্তাবনায় বলা হয়, যেহেতু নিট পরিসম্পদের উপর করদাতাগণ আগের বছরে একবার কর পরিশোধ করছেন, সেহেতু একই সম্পদের ওপর পরের বছর পুনরায় সারচার্জ আরোপ সঠিক নয়। কারণ সম্পদের কর একবার পরিশোধ হচ্ছে। পরের বছর আবার দিলে তাতে একই সম্পদের উপর দুইবার কর পরিশোধ করা পড়ে।

জটিলতা দূর করতে কর পরিশোধের পর অর্জিত পরিসম্পদের ভিত্তিতে এনবিআর যে কর আরোপ করে তা বাতিলের জোর দাবি জানিয়েছে এফবিসিসিআই।

আয়কর অধ্যাদেশের ১৬ ধারায় শুধু কর অধ্যাদেশ অনুযায়ী মোট আয়ের উপর কর ধার্য্য করার বিধান রয়েছে। সুতরাং নিট পরিসম্পদের উপর কর আদায় করা সম্পূর্ণ বেআইনি।

প্রস্তাবনায় আরও বলা হয়, ব্যক্তি করদাতার প্রদর্শিত নিট সম্পদের ভিত্তিতে সরকার সারচার্জ আদায় করা হচ্ছে। ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে এ ক্ষেত্রে নিট সম্পদের পরিমাণ দুই কোটি ২৫ লাখ টাকা হলে কর দিতে হয় না। তবে দুই কোটি ২৫ লাখ টাকার ঊর্ধ্বে কিন্তু ১০ কোটি টাকার বেশি নয়—এমন সম্পদধারীকে ১০ শতাংশ হারে সারচার্জ দিতে হয়। সম্পদের মূল্য ১০ কোটি টাকার অধিক কিন্তু ২০ কোটি টাকার বেশি নয়—এমন সম্পদধারীকে ১৫ শতাংশ, ২০ কোটির বেশি কিন্তু ৩০ কোটির বেশি নয়—এমন সম্পদধারীকে ২০ শতাংশ এবং ৩০ কোটি টাকার বেশি যেকোনো পরিমাণ সম্পদের ওপর ২৫ শতাংশ হারে সারচার্জ আরোপ করা রয়েছে।

আগামী বাজেটে এই সারচার্জ প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে এফবিসিসিআই।

এফবিসিসিআই সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত আছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, এনবিআর চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান প্রমুখ।

অর্থসূচক/মাইদুল/শাহীন

এই বিভাগের আরো সংবাদ