জব্বারের বলীখেলা ২৫ এপ্রিল
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » জাতীয়

জব্বারের বলীখেলা ২৫ এপ্রিল

আগামী রোববার চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে শুরু হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী জব্বারের বলীখেলা ও বৈশাখী মেলার ১০৭তম আসর। তবে শত বছরের ঐতিহ্যবাহী জব্বারের বলীখেলা আগামী ২৫  এপ্রিল সোমবার বিকেল সাড়ে তিনটা থেকে অনুষ্ঠিত হবে।boli

বলী খেলার উদ্বোধন করবেন পুলিশ কমিশনার মোঃ ইকবাল বাহার। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন সিটি মেয়র আ জ ম নাসির উদ্দিন। বিশেষ অতিথি থাকবেন গ্রামীণফোনের চট্টগ্রাম সার্কেল হেড এম শাওন আজাদ।

শনিবার সকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল জব্বার স্মৃতি কুস্তি প্রতিযোগিতা ও বৈশাখী মেলা কমিটির সভাপতি জহরলাল হাজারী এই তথ্য জানান।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জহরলাল হাজারী বলেন, ‘ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ ব্যাংক মোড় থেকে সিটি করপোরেশন এবং জেল রোড থেকে শহীদ মিনার পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার জায়গাজুড়ে বৈশাখী মেলার আসর বসা শুরু করেছে।

তবে আগামী রোববার থেকে পুরোদমে জমে উঠবে মেলা। ওই দিন থেকে শুরু হবে মূল আকর্ষণ বলী খেলা। খেলায় অংশ নিতে ইতিমধ্যে ১৫০ বলী নিবন্ধন করেছেন।

এছাড়া যে কেউ চাইলেই বলী খেলায় অংশ নিতে পারবেন। আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে আশা করা হয়  ২০০ জন বলী এতে অংশ নেবেন।

এদিকে আব্দুল জব্বার স্মৃতি কুস্তি প্রতিযোগিতা ও বৈশাখী মেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শওকত আনোয়ার বাদল বলেন, আনন্দিত। এবারের উৎসব যেন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হতে পারে সেজন্য আমরা প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। শতবর্ষী এ আয়োজনকে সফল করে তুলতে নিরাপত্তার ওপর আমরা শতভাগ জোর দিয়েছি। আমাদের বিশ্বাস আগের চেয়ে অনেক বেশি মানুষের অংশগ্রহণে এই আয়োজন সফল হয়ে উঠবে।

এদিকে ঐতিহ্যবাহী এই আয়োজনে সহযোগিতা করছে দেশের শীর্ষস্থানীয় মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন। এবারের প্রতিযোগীতায় চ্যম্পিয়ন বলীকে ২০ হাজার টাকা সম্মানী দেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, এক শতাব্দিরও বেশি সময় ধরে চলে আসা জব্বারের বলী খেলা চট্টগ্রামসহ পুরো দেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অংশ হয়ে আছে। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে চট্টগ্রামের যুব সমাজকে ঐক্যবদ্ধ ও শারীরিকভাবে সক্ষম করে তুলতে বলী খেলার সূচনা হয় ১৯০৯ সালে।

আন্দোলনের কৌশলী সংগঠক চট্টগ্রাম নগরীর বদরপাতি এলাকার সওদাগর আব্দুল জব্বার এ বলী খেলার আয়োজন করেন। তারপর থেকে ধীরে ধীরে জব্বার মিয়ার বলী খেলা ও বৈশাখী মেলা দেশীয় সংস্কৃতির অন্যতম ধারক বাহকে পরিণত হয়েছে।

ডিআর/টি

 

এই বিভাগের আরো সংবাদ