বিনাশুল্কে ২০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার আনার সুযোগ চায় বাজুস
শনিবার, ৩০শে মে, ২০২০ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » লিড নিউজ

বিনাশুল্কে ২০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার আনার সুযোগ চায় বাজুস

উচ্চ শুল্ক আরোপের কারণে দেশে স্বর্ণ চোরাচালান বেড়েছে। এতে করে বিকাশমান জুয়েলারি শিল্পতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। তাই প্রবাসী বাংলাদেশি এবং এ শিল্প রক্ষায় আগামী বাজেটে বিদেশ থেকে ব্যক্তি পর্যায়ে বিনাশুল্কে ২০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার নিয়ে আসার সুযোগ চায় বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি।

স্বর্ণ আমদানিতে শুল্ক কমানো হলে দেশ চোরাচালান কমে যাবে মনে করছে সংগঠনটি।

ছবি সংগৃহীত

ছবি সংগৃহীত

আগামী ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেটে এ প্রস্তাব দিয়ে সম্প্রতি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাছে সংগঠনটি এ সংক্রান্ত চিঠি দিয়েছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতির সভাপতি কাজী সিরাজুল ইসলাম অর্থসূচককে বলেন, ব্যাগেজ রুলসের আওতায় বর্তমানে একযাত্রী বিদেশ থেকে বিনা শুল্কে ১০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার এবং ২০০ গ্রাম স্বর্ণবার বা স্বর্ণপিণ্ড প্রতি ভরিতে (১১.৬৬৪ গ্রাম) ৩ হাজার টাকা শুল্ক পরিশোধ করে নিয়ে আসতে পারেন। এছাড়া ব্যবসায়ীরা প্রতি ভরিতে ৩ হাজার টাকা শুল্ক ও এটিভি বাবদ ৪ হাজার টাকা শুল্ক দিয়ে আমদানি করতে পারেন।

“ব্যক্তি পর্যায়ে ১০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার নয়, বিনাশুল্কে ২০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার আনার সুযোগ দিতে হবে।”

তিনি বলেন, উচ্চ শুল্ক আরোপের কারণে দেশে স্বর্ণ চোরাচালান বেডেছে। এতে করে বিকাশমান জুয়েলারি শিল্পতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। স্বর্ণ আমদানিতে শুল্ক কমানো হলে দেশ চোরাচালান কমে যাবে।

এজন্য আগামী অর্থবছরের বাজেটে প্রবাসী বাংলাদেশী ও জুয়োলারি শিল্পের স্বার্থে একযাত্রী বিদেশ থেকে বিনাশুল্কে ২০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার এবং প্রতি ভরিতে ১৫০ টাকা শুল্ক পরিশোধ করে ২ কেজি স্বর্ণবার বা স্বর্ণপিণ্ড নিয়ে আসার প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এদিকে ক্রেতা পর্যায়ে স্বর্ণের অলংকার কেনাকাটায় মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ছাড় চায় জুয়েলারি সমিতি। বর্তমানে স্বর্ণের অলংকার কিনলে বিক্রয়মূল্যের ওপর ৫ শতাংশ ভ্যাট দিতে হয় ক্রেতাকে। এ ভ্যাটের হার দেড় শতাংশ করার প্রস্তাব করেছে সমিতি।

কাজী সিরাজুল ইসলাম বলেন, ভারতে স্বর্ণালংকার কেনাকাটায় ১ শতাংশ ভ্যাট দিতে হয়। তাই ভারতে গিয়ে স্বর্ণালংকার কেনার প্রবণতা বেড়েছে বাংলাদেশিদের। ১০ লাখ টাকার গয়না কিনলে বাংলাদেশে ৫০ হাজার টাকা ভ্যাট দিতে হয়। আর ভারতে এর পরিমাণ মাত্র ১০ হাজার টাকা। এতে করে দেশের জুয়েলারি ব্যবসায় নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

বর্তমানে দেশে ডায়মন্ড শিল্প ক্রমানয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই মসৃন হীরা এবং হীরক খচিত অলংকার আমাদানির ক্ষেত্রে সকল প্রকার কর কমানোর প্রস্তাব করেছে সুয়োগ জুয়েলারি সমিতি।

অর্থসূচক/মাইদুল/শাহীন

এই বিভাগের আরো সংবাদ