আইন অমান্য, খেলা শুরুর আগেই চুল বিসর্জন!
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » App Home Page

আইন অমান্য, খেলা শুরুর আগেই চুল বিসর্জন!

ফুটবল খেলোয়াড়দের চুলের স্টাইল নিঃসন্দেহে অনেক বেশি জনপ্রিয়। কয়েক বছর আগেও বিশ্বের অনেক তরুণের চুল ছাটা হতো ইংল্যান্ডের ডেভিড বেকহ্যামের চুলের সঙ্গে মিল রেখে। বর্তমানে পর্তুগালের ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, ব্রাজিলের নেইমারসহ জনপ্রিয় তারকাদের অনুসরণে চুল কাটেন তাদের ভক্তরা।

শুধু আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন তারকাদেরই অনুসরণ করা হয়- তেমনটি নয়। নিজ দেশের তারকা ফুটবলারদের অনুসরণ করে চুল ছাটান বিভিন্ন দেশের তরুণরা। শুধু চুল ছাটার ক্ষেত্রেই নয়; প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রিয় তারকাদের অনুসরণকারী মানুষের সংখ্যাও পৃতিবীতে কম নয়। এতে তারকাদের ইতিবাচক আচরণগুলো যেমন সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়ে তেমনি নেতিবাচক আচরণগুলোও সহজে বিস্তার লাভ করে।

Saudi football Hair Cut

আইন মেনে চুই না ছাটাই খেলা শুরুর আগেই রেফারি কেটে দিচ্ছেন খেলোয়াড়ের চুল।

শিশু ও তরুণদের মধ্যে নেতিবাচক আচরণ ছড়িয়ে পড়া রোধ করতে পৃথিবীর অনেক দেশের খেলোয়াড়দের কিছু নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলতে হয়। যেমন: সৌদি আরবের ফুটবল খেলোয়াড়দের জন্য ইসলামপন্থী চুল ছাটা আইন করেছে দেশটির ফুটবল ফেডারেশন। ওই ফেডারেশনের প্রত্যেক খেলোয়াড়কেই এই আইন মেনে চলতে হয়। আইন অমান্যকারীর জন্য শাস্তিরও ব্যবস্থা রেখেছে সৌদি ফুটবল ফেডারেশন। ওই আইন অমান্য করায় সম্প্রতি একজন খেলোয়াড়কে দেওয়া শাস্তির একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে।

সৌদি ফুটবল ফেডারেশনের ওই ভিডিওতে দেখা গেছে, মাঠের পাশে একনজ খেয়োয়াড়ের চুল কেটে দিচ্ছেন রেফারি। ওই সময় রেফারির হাতে দুটি কাচি দেখা গেছে।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মোহক স্টাইনে চুল ছেটেছিলেন ওই ফুটবলার। তবে সৌদি ফুটবল ফেডারেশনের আইন অনুযায়ী, এটা ইসলাম পরিপন্থী চুলের স্টাইল। তাই খেলা শুরুর আগে সাইড লাইনে দাঁড়িয়ে আইন অমান্যকারী খেলোয়াড়ের চুল ছেটে দেন রেফারি।

এতে আরও বলা হয়েছে, খেলোয়াড়দের উদ্ভট চুলের স্টাইল অনুকরণ করে চুল ছাটে শিশুরা। এগুলো অনেক সময় ইসলাম পরিপন্থী হয়। এমন নেতিবাচক আচরণ বন্ধ করতেই যুব অর্গানাইজেশনের পরামর্শে ইসলামপন্থী চুল ছাটা আইন করা হয়েছিল।

অর্থসূচক/এমই/

এই বিভাগের আরো সংবাদ