এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু রোববার
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » শিক্ষা

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু রোববার

আগামী ৩ এপ্রিল রোববার থেকে শুরু হবে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা।

এ বছর দেশের ৮টি সাধারণ এবং মাদরাসা ও কারিগরিসহ মোট ১০টি শিক্ষাবোর্ড থেকে ১২ লাখ ১৮ হাজার ৬২৮ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে। যা গত বছরের চেয়ে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৭৪৪ জন বেশি।

এবার ছাত্র ৬ লাখ ৫৪ হাজার ১১৪ জন ও ছাত্রী ৫ লাখ ৬৪ হাজার ৫১৪ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। যা গত বছরের তুলনায় যথাক্রমে ৮৩ হাজার ১২১ জন ও ৬১ হাজার ৬২৩ জন বেশি।

SSC_01শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ গতকাল  বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান।

তিনি বলেন, পরীক্ষা সম্পূর্ণ নকলমুক্ত ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে সফলভাবে অনুষ্ঠানের জন্য সব ব্যবস্থা সম্পন্ন করা হয়েছে।

মন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ছাত্র-শিক্ষক অভিভাবকসহ সকলের নিকট আনন্দদায়ক ও উৎসবমুখর হবে। সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা সম্পন্নের জন্য তাই তিনি শিক্ষক, অভিভাবক ও পরীক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

৮টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের কথা উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ঢাকা, রাজশাহী, কুমিল্লা, যশোর, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট ও দিনাজপুর এ বোর্ডগুলো থেকে এবছর ১০ লাখ ২০ হাজার ১০৯ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছে। এর মধ্যে ছাত্র ৫ লাখ ২৫ হাজার ৬১৩ জন এবং ছাত্রী ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৪৯৬ জন।

তিনি বলেন, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে এ বছর ৯১ হাজার ৫৯১ জন, কারিগরি বোর্ড থেকে ১ লাখ ২ হাজার ১৩২ জন এবং ডিআইবিএস থেকে ৪ হাজার ৭৯৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে।

গত বছরের তুলনায় এবার এইচএসসি পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থীর পাশাপাশি পরীক্ষার কেন্দ্র ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পরীক্ষার কেন্দ্র ৩৩টি বৃদ্ধি পেয়ে এবার ২ হাজার ৪৫২টি এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ২২৮টি বৃদ্ধি পেয়ে ৮ হাজার ৫৩৩টি হয়েছে। এছাড়া বিদেশের ৭টি কেন্দ্র থেকে এবার ২৬২ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছে। এরমধ্যে ছাত্র ১২৪ জন ও ছাত্রী ১৩৮ জন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, তত্ত্বীয় পরীক্ষা ৩ এপ্রিল শুরু হয়ে ৯ জুন শেষ হবে এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা ১১ জুন শুরু হয়ে ২০ জুন শেষ হবে।

তিনি জানান, এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতি বিষয়ে প্রথমে বহুনির্বাচনী ও পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং উভয় পরীক্ষার মধ্যে ১০ মিনিট সময়ের ব্যবধান থাকবে। এবার ১৯টি বিষয়ের ৩৬টি পত্রে সৃজনশীল পদ্ধতিতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। গত বছর ১৫টি বিষয়ের ২৫টি পত্রে সৃজনশীল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

নাহিদ বলেন, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, সেরিব্রাল পালসিজনিত প্রতিবন্ধী এবং যাদের হাত নেই এমন প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থী শ্রুতি লেখক সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। এ ধরনের পরীক্ষার্থীদের এবং শ্রবণ প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ২০ মিনিট সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন (অটিস্টিক এবং ডাউন সিনড্রোম বা সেরিব্রাল পালসি আক্রান্ত) পরীক্ষার্থীদের ৩০ মিনিট অতিরিক্ত সময় এবং পরীক্ষার কক্ষে তার অভিভাবক, শিক্ষক বা সাহায্যকারী নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে সার্বক্ষণিকভাবে সারাদেশের এইচএসসি ও সমমানের সব পরীক্ষা তদারকীর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

সূত্র: বাসস

এই বিভাগের আরো সংবাদ