দুই মন্ত্রীর আদালত অবমাননা রুলের পরবর্তী শুনানি ২৭ মার্চ
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » অপরাধ ও আইন

দুই মন্ত্রীর আদালত অবমাননা রুলের পরবর্তী শুনানি ২৭ মার্চ

খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম. মোজাম্মেল হকের আদালত অবমাননার রুলের পুনরায় শুনানির জন্য আগামী ২৭ মার্চ দিন ধার্য করেছে আদালত।

রুলের জবাবে সঠিক ব্যাখ্যা উপস্থাপন হয়নি জানিয়েছে আবারও লিখিতভাবে জবাব দাখিলের জন্য ওই দিন ধার্য করেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে সাত সদস্যের বেঞ্চ।

বেঞ্চের অন্য সদস্যরা ছিলেন- বিচারপতি আবদুল ওয়াহাব মিয়া, বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা, বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম ও বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার।

শুনানিতে আ.ক.ম. মোজাম্মেল হকের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার রফিক উল হক এবং কামরুল ইসলামের পক্ষে ছিলেন আবদুল বাসেত মজুমদার।

রুলের লিখিত জবাব দাখিলের দিন ধার্য থাকায় আজ রোববার সকাল সোয়া ৯টায় আদালতে হাজির হন খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম. মোজাম্মেল হক। শুরুতে এজলাসে দাঁড়ান তারা। পরবর্তীতে আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে অনুমতি নিয়ে বসেন দুই মন্ত্রী। এরপর আইনজীবীর মাধ্যমে লিখিত জবাব দাখিল করেন তারা। তবে তাদের জবাবে সঠিক ব্যাখ্যা উপস্থাপন করা হয়নি জানিয়ে আবারও লিখিত জবাব দাখিলের নির্দেশ দেয় আদালত।

গত ১৫ মার্চ খাদ্যমন্ত্রীর পক্ষে সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত অবমাননার অভিযোগে আ.ক.ম. মোজাম্মেল হক ও কামরুল ইসলামের শুনানির জন্য আজকের দিন নির্ধারণ করে দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। আদালত নিয়ে মন্তব্যের করায় আইনজীবীর মাধ্যমে ইতোমধ্যেই নিঃশর্ত ক্ষমার আবেদন করেছেন দুই মন্ত্রী।

রুলের লিখিত জবাব দাখিলের দিন ধার্য থাকায় আজ রোববার সকাল সোয়া ৯টায় আদালতে হাজির হন খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম. মোজাম্মেল হক। শুরুতে এজলাসে দাঁড়ান তারা। পরবর্তীতে আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে অনুমতি নিয়ে বসেন দুই মন্ত্রী। এরপর আইনজীবীর মাধ্যমে লিখিত জবাব দাখিল করেন তারা।

প্রসঙ্গত, গত ৮ মার্চ দেশের সর্বোচ্চ আদালত নিয়ে খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ও মুক্তিযুদ্ধ-বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম. মোজাম্মেল হক বিচার ব্যবস্থার উপর মন্তব্য করায় তাদের তলব করেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। আদালত অবমাননার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে কেন কার্যক্রম শুরু করা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুলও দেন আদালত।

৬ মার্চ একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসির আদেশ পাওয়া মীর কাসেম আলীর আপিল মামলা পুনঃশুনানির দাবি জানান। ওই শুনানিতে প্রধান বিচারপতি ও রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেলকে অংশ না নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

একই অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতির বিষয়ে মন্তব্য করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী মোজাম্মেল হক। পরে দুই মন্ত্রীর মন্তব্য নিয়ে আইন অঙ্গনে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়। মন্ত্রীদের এমন বক্তব্যে বিরক্তি প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

অর্থসূচক/এসএম/এমই/

এই বিভাগের আরো সংবাদ