বেসরকারি টার্মিনাল নির্মাণে একগুচ্ছ শর্ত
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » অর্থনীতি

বেসরকারি টার্মিনাল নির্মাণে একগুচ্ছ শর্ত

বেসরকারি খাতেও অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার টার্মিনাল (আইসিটি) নির্মাণের সুযোগ দিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে নীতিমালা করা হয়েছে। টার্মিনাল নির্মাণে অনুমোদন পেতে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে এখন বেশ কিছু শর্ত মানতে হবে। এর মধ্য উল্লেখ্যযোগ্য হিসেবে রয়েছে কন্টেইনার হ্যান্ডলিং কাজে ৫ বছরের অভিজ্ঞতা, মানসম্মত যন্ত্রপাতি, কন্টেইনার ইয়ার্ড, ক্রেন, উচ্চ ক্ষমতার আধুনিক স্ক্যানার মেশিন বসানো।

নতুন এই নীতিমালা সম্প্রতি আদেশ আকারে জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

এ প্রসঙ্গে এনবিআরের দ্বিতীয় সচিব (শুল্ক রপ্তানি ও বন্ড) মু. ইমতিয়াজ হাসান অর্থসূচককে বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসারে বেসরকারি খাতে আইসিটি নির্মাণের সুযোগ দিতেই এই নীতিমালা করা হয়েছে। এতে সামগ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি রাজস্ব আহরণে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। ইতোমধ্যে নীতিমালাটি আদেশ আকারে জারি করা হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে তিন বছরের জন্য লাইসেন্স দেওয়া হবে, যা নবায়ন করা যাবে। এককালীন অফেরতযোগ্য ১০ লাখ টাকা লাইসেন্স ফি দিতে হবে এবং জমা হিসেবে ২ কোটি টাকা বা এর সমপরিমাণ সম্পদ রাখতে হবে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, টার্মিনাল নির্মাণে অনুমোদন পেতে আগ্রহী সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের কন্টেইনার হ্যান্ডলিং কাজে পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। আবার কার্গো পরিবহন বা জাহাজ নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন প্রতিষ্ঠানও টার্মিনাল নির্মাণের জন্য আবেদন করতে পারবে। একই সঙ্গে টার্মিনাল করতে লিমিটেড কোম্পানি গঠন করে যৌথ নিবন্ধকের কার্যালয় থেকে নিবন্ধন নিতে হবে।

প্রাথমিকভাবে তিন বছরের জন্য লাইসেন্স দেওয়া হবে, যা নবায়ন করা যাবে। এককালীন অফেরতযোগ্য ১০ লাখ টাকা লাইসেন্স ফি দিতে হবে এবং জমা হিসেবে ২ কোটি টাকা বা এর সমপরিমাণ সম্পদ রাখতে হবে। নবায়নে ফি ধরা হয়েছে ৫০ লাখ টাকা। কোনো অনিয়ম হলে প্রমাণ সাপেক্ষে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ লাইসেন্স বাতিল করতে পারবে।

টার্মিনাল নির্মাণে মানসম্মত যন্ত্রপাতি, কন্টেইনার ইয়ার্ড, ক্রেনসহ আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম থাকতে হবে। অনুমোদন পাওয়ার এক বছরের মধ্যে উচ্চক্ষমতার আধুনিক স্ক্যানার মেশিন বসাতে হবে। নির্ধারিত সময়ে স্ক্যানার বসাতে ব্যর্থ হলে সাময়িক সময়ের জন্য লাইসেন্স স্থগিত করতে পারবে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। এছাড়া কন্টেইনার পরিবহনে প্রয়োজনীয় সংযোগ সড়ক থাকা, কাছের বন্দরের ৩০ থেকে ৫০ কিলোমিটারের মধ্যে ও নদীর তীর ঘেঁষে তা গড়ে তোলা, অগ্নি নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ টার্মিনাল পরিচালনায় বেশ কিছু নিয়ম-কানুন প্রতিপালনের কথা হয়ে এনবিআরের এই নীতিমালায়।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এসব টার্মিনাল নির্মাণে বাংলাদেশ ইনল্যান্ড ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট অথরিটি, নৌ মন্ত্রণালয়, চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অনাপত্তিপত্র নিতে হবে।

অর্থসূচক/মাইদুল/গিয়াস/শাহীন

এই বিভাগের আরো সংবাদ