খুলনায় রেল ভবন ঘেরাও ব্যবসায়ীদের
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » জাতীয়

খুলনায় রেল ভবন ঘেরাও ব্যবসায়ীদের

পুনর্বাসনের দাবিতে খুলনার শের-ই-বাংলা বিপনী কেন্দ্রের ব্যবসায়ীরা রেল ভবন ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেছেন।

পুনর্বাসনের দাবিতে আজ বুধবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত খুলনার রেল ভবন ঘেরাও করেন শের-ই-বাংলা বিপনী কেন্দ্রের ব্যবসায়ীরা। ছবি সংগৃহীত

পুনর্বাসনের দাবিতে আজ বুধবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত খুলনার রেল ভবন ঘেরাও করেন শের-ই-বাংলা বিপনী কেন্দ্রের ব্যবসায়ীরা। ছবি সংগৃহীত

আজ বুধবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত খুলনার রেল ভবন ঘেরাও করেন তারা।

শের-ই-বাংলা বিপনী কেন্দ্রের দোকান ঘর মালিক সমিতিরি উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত দেড় শতাধিক ব্যবসায়ী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।

এসময় তারা বিক্ষোভ প্রদর্শন করে বলেন, আধুনিক রেল স্টেশন নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ায় শের-ই-বাংলা বিপনী কেন্দ্রের ১৫০ জন ব্যবসায়ী উচ্ছেদের শিকার হয়েছেন। আয়ের উৎস বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। তাদের পুনর্বাসনের কথা থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। অবিলম্বে ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের দাবি জানান তারা।

ঘেরাও কর্মসূচি চলাকালে প্রতিবাদ সভায় সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি চ ম মুজিবর রহমান।

তিনি বলেন, দেড় শতাধিক ব্যবসায়ী দীর্ঘ ৪২ বছর ধরে রেলওয়ের লাইসেন্স নিয়ে সরকারের সব ধরনের রাজস্ব দিয়ে সেমিপাকা দোকান ঘর করে ব্যবসা করে আসছেন। এই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ৩০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান যুক্ত। বর্তমানে ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদের ফলে কর্মসংস্থান হারিয়ে চরম মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন ভুক্তভোগিরা।

তিনি আরও বলেন, বিকল্প স্থানে রেলের পরিত্যক্ত জমিতে পুর্নবাসনের দাবি জানিয়ে খুলনার ৫ জন সংসদ সদস্যের সুপারিশসহ রেলপথ মন্ত্রী, সচিবসহ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন অসহায় হতাশাগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। এছাড়া পুনর্বাসনের দাবিতে ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন সময় প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের নীতিনির্ধারণী মহলে স্মারকলিপি, মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিলসহ বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পালন করে আসছে। গত বছর ১ জুন রেলপথ মন্ত্রী, সচিব ও রেলওয়ের ডিজি এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তাকে (পাকশি) নির্দেশ দেন। কিন্তু সে নির্দেশনা অনুযায়ী কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

সভায় জানানো হয়, একই দাবিতে ১৯ মার্চ বিপনী কেন্দ্রের সামনে অবস্থান ধর্মঘট এবং ২০ মার্চ মানববন্ধন করবেন ব্যবসায়ীরা।

অর্থসূচক/শিউলি/ডিএইচ

এই বিভাগের আরো সংবাদ