হিমায়িত খাদ্য ও মৎস্য রপ্তানিতে নেতিবাচক ধারা
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » পণ্যবাজার

হিমায়িত খাদ্য ও মৎস্য রপ্তানিতে নেতিবাচক ধারা

২০১৫-১৬ অর্থবছরের জুলাই-ফেব্রুয়ারি মেয়াদে কমেছে হিমায়িত খাদ্য ও মৎস্য রপ্তানি। ২০১৪-১৫ বছরের প্রথম ৮ মাসের এই খাতে আয় হয়েছিল ৪২ কোটি ৯৩ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। চলতি চলতি অর্থবছরের এই সময় পর্যন্ত হিমায়িত খাদ্য ও মৎস্য রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৩৭ কোটি ২৪ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। অর্থাৎ বছরের ব্যবধানে এই খাতে রপ্তানি আয় ১৩ দশমিক ২৫ শতাংশ কমেছে।

বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) মার্চ মাসে প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে। এতে আরও জানানো হয়েছে, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে হিমায়িত খাদ্য ও মৎস্য জাতীয় পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৫৬ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার।

চলতি অর্থবছরে হিমায়িত খাদ্য ও মৎস্য জাতীয় পণ্য রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৭ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার। এর মধ্যে প্রথম ৮ মাসে এই খাতে রপ্তানি আয় ধরা হয়েছিল ৩৭ কোটি ২৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। কিন্তু এর বিপরীতে আয় হয়েছে ৩৭ কোটি ২৪ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে শূন্য দশমিক ১৩ শতাংশ কম। অন্যদিকে বছরের ব্যবধানে হিমায়িত খাদ্য ও মৎস্য জাতীয় পণ্য রপ্তানিতে বৈদেশিক মুদ্রা আয় ১৩ দশমিক ২৫ শতাংশ কমেছে।

চলতি অর্থবছরের প্রথম ৮ মাসে ৩৩ কোটি ২২ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলারের চিংড়ি রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এর বিপরীতে আয় হয়েছে ৩২ কোটি ৫৯ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ দশমিক ৯২ শতাংশ কম। ২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রথম ৮ মাসে এই খাতে আয় হয়েছিল ৩৮ কোটি ৬৩ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার। অর্থাৎ বছরের ব্যবধানে চিংড়ি রপ্তানি আয় ১৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ কম।

চলতি অর্থবছরে হিমায়িত খাদ্য ও মৎস্য জাতীয় পণ্য রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৭ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার। এর মধ্যে প্রথম ৮ মাসে এই খাতে রপ্তানি আয় ধরা হয়েছিল ৩৭ কোটি ২৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। কিন্তু এর বিপরীতে আয় হয়েছে ৩৭ কোটি ২৪ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে শূন্য দশমিক ১৩ শতাংশ কম। অন্যদিকে বছরের ব্যবধানে হিমায়িত খাদ্য ও মৎস্য জাতীয় পণ্য রপ্তানিতে বৈদেশিক মুদ্রা আয় ১৩ দশমিক ২৫ শতাংশ কমেছে।

২০১৫-১৬ অর্থবছরের জুলাই-ফেব্রুয়ারি মেয়াদে জীবিত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৫৭ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৯৪ দশমিক ৮৫ শতাংশ বেশি। আলোচ্য সময়ে এই খাতে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। ২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রথম ৮ মাসে জীবিত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১৯ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। অর্থাৎ ২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রথম ৮ মাসের তুলনায় চলতি অর্থবছরের প্রথম ৮ মাসে জীবিত মাছ রপ্তানি আয় ১৯১ দশমিক ৮৪ শতাশ বেড়েছে।

চলতি অর্থবছরের প্রথম ৮ মাসে হিমায়িত মৎস্য রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩ কোটি ২২ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। আলোচ্য সময়ে এই খাতে আয় হয়েছে ৩ কোটি ৫৭ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০ দশমিক ৭৩ শতাংশ বেশি। সেইসঙ্গে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায়ও ৭ দশমিক ০৭ শতাংশ বেশি আয় হয়েছে এই খাতে। ২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রথম ৮ মাসে হিমায়িত মৎস্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৩ কোটি ৩৩ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার।

আলোচ্য সময়ে অন্যান্য হিমায়িত খাদ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৬৪ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৪ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি। গত ২০১৪-১৫ অর্থবছরের জুলাই-ফেব্রুয়ারি মেয়াদে অন্যান্য হিমায়িত খাদ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৯৬ লাখ ১০ মার্কিন ডলার। অর্থাৎ বছরের ব্যবধানে এই খাতের রপ্তানি আয় ৪৬ দশমিক ৯৩ শতাংশ কমেছে।

অর্থসূচক/এমই

এই বিভাগের আরো সংবাদ