চুয়েটের ৩য় সমাবর্তন ১৪ মার্চ
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » শিক্ষা

চুয়েটের ৩য় সমাবর্তন ১৪ মার্চ

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) তৃতীয় সমাবর্তন আগামী ১৪ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। রাষ্ট্রপতি ও চুয়েটের চ্যান্সেলর মো. আব্দুল হামিদ এতে সভাপতিত্ব করার সম্মতি জানিয়েছেন।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান চুয়েটের তৃতীয় সমাবর্তনের তথ্য ও প্রচার উপকমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মশিউল হক।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, এবারের সমাবর্তনে গত ১৬ ডিসেম্বর ২০১২ থেকে ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ পর্যন্ত তারিখের মধ্যে এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি ডিগ্রিধারী ১ হাজার ৬০৩ জনকে ডিগ্রি প্রদান করা হচ্ছে। এর মধ্যে স্নাতকের ১ হাজার ৫৬৪ জন, মাস্টার্সের ৩২ জন, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমাতে চারজন এবং পিএইচডি ডিগ্রি পাচ্ছেন তিনজন। এছাড়া কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্য ৪ জনকে গোল্ড মেডেল প্রদান করা হবে। সমাবর্তনে এবারই প্রথম পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং (পিএমই) বিভাগ থেকে প্রকৌশল ডিগ্রি দেওয়া হবে।

CUET

তৃতীয় সমাবর্তন আয়োজন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে চুয়েট কর্তৃপক্ষ।

তিনি বলেন, সমাবর্তনে প্রধান বক্তা থাকবেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও এশিয়া প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী। বিশেষ অতিথি থাকবেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান। এতে আরও বক্তব্য রাখবেন চুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড.মো. জাহাঙ্গীর আলম ও উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম। এছাড়া সমাবর্তন মঞ্চে আরও উপস্থিত থাকবেন চুয়েটের পুরকৌশল অনুষদের ডিন ড.মো. হযরত আলী, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন ড. আশুতোষ সাহা, যন্ত্রকৌশল অনুষদের ডিন ড.মো. মাহবুবুল আলম, তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল অনুষদের ডিন ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূঁইয়া, স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডিন ড. মোস্তাফা কামাল ও রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. ফারুক-উজ-জামান চৌধুরী।

আগামী ১৪ মার্চ দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে অনাড়ম্বর ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশের মধ্য দিয়ে চুয়েটের সমাবর্তন শুরু হবে। চুয়েটের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে এই সমাবর্তনের আয়োজন করা হচ্ছে। এ উপলক্ষে উৎসবের সাজে সেজেছে ক্যাম্পাস।

ডিগ্রিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী ছাড়াও দেশ-বিদেশের অতিথি, সংসদ সদস্য, রাষ্ট্রীয় ও ব্যক্তি মালিকানাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন আমন্ত্রিত অতিথিসহ মোট ৩ হাজার অতিথি সমাবর্তনে উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছে চুয়েট কর্তৃপক্ষ।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়ক সংলগ্ন ১৭১ একর জমির ওপর শহর থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে ১৯৬৮ সালে চট্টগ্রাম ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের যাত্রা শুরু হয়। শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং ফ্যাকাল্টির অধীনে কলেজটি পরিচালিত হতো। ১৯৮৬ সালে চুয়েটসহ দেশের চারটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে (বিআইটি) রূপান্তর করা হয়। ২০০৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায় চুয়েট।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন চুয়েট সমাবর্তন ২০১৬ নির্বাহী কমিটির সেক্রেটারি অধ্যাপক ড.মো. আব্দুর রহমান ভূঁইয়া, তথ্য ও প্রচার উপ-কমিটির সদস্যসচিব অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান, সদস্য ড.মো. কামরুল হাছান ও সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মোহাম্মদ ফজলুর রহমান।

প্রসঙ্গত, চুয়েটে ১ম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয় ২০০৮ সালে এবং ২য় সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয় ২০১২ সালে।

অর্থসূচক/ডিআর/এমই/

এই বিভাগের আরো সংবাদ