স্কুলছাত্র হিমেল হত্যা মামলায় ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » অপরাধ ও আইন

স্কুলছাত্র হিমেল হত্যা মামলায় ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড

চট্টগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র হিমেল দাশ সুপন হত্যা মামলায় ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।

আজ বুধবার চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. সেলিম মিয়া এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মাহমুদুল ইসলাম, সুনীল দাশ, মিজানুর রহমান চৌধুরী, মোঃ হোসেন প্রকাশ সাগর, নজরুল ইসলাম প্রকাশ লাল মিয়া ও মো. সেলিম।

স্কুল ছাত্র হিমেল।ছবি সংগৃহীত

স্কুল ছাত্র হিমেল।ছবি সংগৃহীত

এদের মধ্যে হিমেলের দূর সম্পর্কের চাচা সুনীল দাশ, মাহমুদুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম এবং মিজানুর রহমান কারাগারে আছে। বাকি দুইজন পলাতক রয়েছে।

চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল-২ এর পিপি অ্যাডভোকেট এম এ নাসের বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ হওয়ায় আদালত এই ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন।

আদালত আসামিদেরকে তিরস্কার করে বলেছেন, হিমেলকে অপহরণের পর হত্যা করার ঘটনা অমানবিক। যারা দোষী তাদের এই সমাজে বেঁচে থাকার কোনো অধিকার নেই। মৃত্যুদণ্ডই হল এদের একমাত্র শাস্তি।

মামলা সূত্র জানায়, ২০১১ সালের ৮ মে এসএসসি পরীক্ষার ফল ঘোষণার চারদিন আগে নিখোঁজ হয় চট্টগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র হিমেল দাশ সুপন। পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে মাহমুদুল ইসলাম ও তার ভাই নজরুল ইসলামের সঙ্গে বান্দরবানে বেড়াতে গিয়ে অপহৃত হয় হিমেল। ১৩ মে হিমেলের মা পাপিয়া সেন বাদী হয়ে ডবলমুরিং থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। পরবর্তীতে যা মামলায় রূপান্তর হয়। ১৪ মে বান্দরবানের দুর্গম নাগাঝিরি পাহাড় থেকে নগরীর ডবলমুরিং থানা পুলিশ হিমেলের লাশ উদ্ধার করে।

ওই মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া দুই আসামি মাহমুদুল ইসলাম ও তার ভাই নজরুল ইসলাম আদালতে জবানবন্দি দিয়ে জানান, হিমেলের চাচা সুনীল দাশের পরিকল্পনায় তাকে অপহরণের পর হত্যা করা হয়েছে। সম্পত্তির লোভে সুনীল দাশ এ হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করেছিলেন।

২০১১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ছয়জনকে আসামি করে এ মামলায় অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। ২০১২ সালের ২৭ আগস্ট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৭, ৮/৩০ ও দণ্ডবিধির ৩০২ ও ২০১ ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়। অভিযোগপত্রে ১৫ জনকে সাক্ষী করা হয়।

এই বিভাগের আরো সংবাদ