একদিনেই আকরিক লোহার দাম বেড়েছে ২০%
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » লিড নিউজ

একদিনেই আকরিক লোহার দাম বেড়েছে ২০%

চীনে আকরিক লোহার চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় পণ্যটির দাম রেকর্ড পরিমাণ বেড়েছে। গতকাল সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যটির দাম ২০ শতাংশ বেড়ে যায়। একদিনের ইতিহাসে যা সবচেয়ে বেশি।

iron ore

রড- ছবি সংগৃহীত

জ্বালানি ও লোহার দাম নিয়ে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান প্ল্যাটসের বরাত দিয়ে মার্কেটওয়াচ এক খবরে এ তথ্য জানিয়েছে।

খবরে বলা হয়, চীনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিয়ে সম্প্রতি আলোচনায় বসেন দেশটির নেতারা। অর্থনীতিকে আবার চাঙ্গা করতে সর্বশেষ পরিকল্পনা হাতে নেয় তারা।

এসময় এ বছরের জন্য দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬.৫ থেকে ৭ শতাংশ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। এরপরই লোহার বাজারে দরের এ ঊর্ধ্বগতি প্রতিফলিত হয়।

প্ল্যাটসের কনটেন্ট ডিরেক্টর জোসেপ ইন্যাক জানান, চীনের অর্থনীতিকে টেকসই করতে এ লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।

আকরিক লোহা সাধারণত স্টিল তৈরিতে ব্যবহারিত হয়। জোসেপ জানান, স্টিল খাতের কোম্পানি ঘুরে দাঁড়ানোর খবরে এদিন জ্বালানি খাতও শক্তি ফিরে পায়।

আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্কে এদিন অপেক্ষাকৃত উন্নত মানের অপরিশোধিত জ্বালানি তেল এ বছরের মধ্য সর্বোচ্চ দামে বিক্রি হয়। এক ব্যারেল তেলের দাম পড়ে ৪০.৮৩ ডলার। গত জানুয়ারিতেও যা ছিল ২৮ ডলারের নিচে।

এদিকে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াং গত শনিবার দেশটির রেল খাত উন্নয়নে আর ১২ হাজার ৩০০ কোটি ডলার ব্যয়ের ঘোষণা দেন। বাজার বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আন্তর্জাতিক বাজারে আকরিক লোহার দরে হঠাৎ উত্থানের পেছনে প্রধানমন্ত্রীর এ প্রতিশ্রুতিও প্রভাব ফেলেছে। যার কারণে গতকাল সোমবার পণ্যটির দাম এতো বেড়েছে।

প্ল্যাটসের তথ্যানুযায়ী, এদিন আকরিক লোহা সর্বশেষ টনপ্রতি ৬৩.৭৪ ডলারে বিক্রি হয়। ২০১৫ সালের জুন মাসের পর যা সবচেয়ে বেশি। উল্লিখিত বছরের মাঝামাঝি সময়ে পণ্যটির দাম ৩৮.৩০ ডলারের কাছাকাছি অবস্থান করে।

বিশ্বে সবচেয়ে বেশি আকরিক লোহা উৎপাদন করে যুক্তরাষ্ট্র। এর পরেই আছে অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল ও কানাডা। আর চীন হচ্ছে বিশ্বের মধ্য সবচেয়ে বেশি এ পণ্য ব্যবহার করে।

বিশ্বে সবচেয়ে বেশি আকরিক লোহা উৎপাদন করে যুক্তরাষ্ট্র। এর পরেই আছে অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল ও কানাডা। আর চীন হচ্ছে বিশ্বের মধ্য সবচেয়ে বেশি এ পণ্য ব্যবহার করে।

তবে মার্কিন ব্যাংক গোল্ডম্যান স্যাকস জানিয়েছে, স্টিলের প্রধান এ কাচামালের দর বৃদ্ধি স্থায়ী হবে না। চীনে চাহিদা কমলেই ধরা খাবে এ বাজার। এ বছর টনপ্রতি পণ্যটির গড় দর ৩৮ ডলার ও আগামী দুই বছরে তা কমে ৩৫ ডলারে থাকবে বলে মনে করছে প্রতিষ্ঠানটি।

অর্থসূচক/শাহীন

এই বিভাগের আরো সংবাদ