উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের মজুদ ১৩.৬৪ ট্রিলিয়ন ঘনফুট
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » সর্বশেষ
সংসদে প্রধানমন্ত্রী

উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের মজুদ ১৩.৬৪ ট্রিলিয়ন ঘনফুট

দেশে বর্তমানে উত্তোলনযোগ্য নিট গ্যাস মজুদের পরিমাণ ১৩ দশমিক ৬৪ ট্রিলিয়ন ঘনফুট বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জাতীয় সংসদে গতকাল বুধবার প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে বিএনএফের এসএম আবুল কালাম আজাদের এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে এ যাবৎ আবিস্কৃত ২৬টি গ্যাস ফিল্ডে গ্যাস মজুদের পরিমাণ ২৭ দমশিক ১২ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৩ দশমিক ৪৮ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন করা হয়েছে। বাকি গ্যাস বর্তমানে মজুদ রয়েছে।

perliament-pmতিনি বলেন, সাশ্রয়ী জ্বালানি হিসেবে বিভিন্ন খাতে প্রাকৃতিক গ্যাসের চাহিদা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। চাহিদা বৃদ্ধির সঙ্গে গ্যাসের উৎপাদনও বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু উৎপাদন বৃদ্ধির হারের তুলনায় গ্যাসের চাহিদা বৃদ্ধির হার বেশি। বর্তমান সরকার ২০০৯ সালের জানুয়ারি মাসে দায়িত্ব গ্রহণের সময় গ্যাসের গড় উৎপাদন ছিল দৈনিক ১ হাজার ৭৪৪ মিলিয়ন ঘনফুট, বর্তমানে তা বৃদ্ধি পেয়ে দৈনিক ২ হাজার ৭৪০ মিলিয়ন ঘনফুটে দাঁড়িয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা ৩ হাজার ২০০ মিলিয়ন ঘনফুটের বেশি। বিগত সাত বছরে গ্যাসের উৎপাদন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেলেও চাহিদা অধিক হারে বাড়তে থাকায় সরবরাহের তুলনায় ঘাটতি এখনও প্রায় দৈনিক ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট। তবে ক্রমবর্ধমান গ্যাসের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে গ্যাসের উৎপাদন বৃদ্ধিসহ নতুন মজুদ প্রাপ্তির জন্য অনুসন্ধান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এর সঙ্গে এলএনজি আমদানি করে দেশের গ্যাসের চাহিদা পূরণের পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি জানান, বর্তমানে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাপেক্স মোবারকপুরে একটি অনুসন্ধান কূপ ও সালদায় একটি উন্নয়ন কূপ খননের কাজ করছে। তাছাড়া বিজিএফসিএল কর্তৃক পরিচালিত তিতাস ফিল্ডে একটি উন্নয়ন কূপের খনন কাজ চলমান রয়েছে।

শেখ হাসিনা সংসদকে বলেন, দেশের ক্রমবর্ধমান গ্যাসের চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যে ২০২১ সালের মধ্যে ৫৭টি অনুসন্ধান কূপ খনন, ৪৩টি উন্নয়ন কূপ খনন এবং ২০টি কূপের ওয়ার্কওভার করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ সব কূপ থেকে আনুমানিক দৈনিক ১ হাজার ৭৮ থেকে ১ হাজার ২৪০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, দেশের সমুদ্রাঞ্চলে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান চালানোর জন্য কয়েকটি ব্লক আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানিকে ইজারা দেওয়া হয়েছে। অগভীর সমুদ্রাঞ্চলে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম চালাচ্ছে ওই কোম্পানিগুলো। সম্প্রতি ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সামুদ্রিক সীমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি হওয়ায় বর্তমানে গভীর এবং অগভীর সমুদ্রে অনুসন্ধান উপযোগী ব্লকের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

সূত্র: বাসস

অর্থসূচক/এসএম/এমই

এই বিভাগের আরো সংবাদ