চট্টগ্রামে ডকইয়ার্ড ও শিপইয়ার্ড সীলগালা
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » চট্টগ্রাম ও বন্দর

চট্টগ্রামে ডকইয়ার্ড ও শিপইয়ার্ড সীলগালা

চট্টগ্রাম কালুরঘাট এলাকায় কর্ণফুলী নদীর তীরে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা তিনটি ডকইয়ার্ড ও একটি শিপইয়ার্ড সীলগালা করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত।

চট্টগ্রামে ডকইয়ার্ড ও শিপইয়ার্ড সীলগালা

চট্টগ্রামে ডকইয়ার্ড ও শিপইয়ার্ড সীলগালা

আজ বুধবার দিনব্যাপী এই অভিযানের নেতৃত্ব দেন চট্রগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের অথরাইজড অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ আবুল হাশেম।

এসময় প্রতিষ্ঠান তিনটিকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং একই সময়ে নিয়মবহির্ভূতভাবে জাহাজ পরিচালনার দায়ে ৬ টি নৌযানকে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

আবুল হাশেম জানান, চট্রগ্রাম বন্দরের অধ্যাদেশ-১৯৭৬ ও সংশ্লিষ্ট আইন (সংশোধিত), ১৯৯৫ এর ১৭(২) ধারায় আমরা অভিযান পরিচালনা করেছি। অভিযানে কালুরঘাট সেতুসংলগ্ন নদীর তীরে অবৈধভাবে গড়ে উঠা কেবিবিআইসি, মিল্লাত ডকইয়ার্ড , কালুরঘাট ডকইয়ার্ড এবং মনছুর শিপইয়ার্ড সীলগালা করে তাদের ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এছাড়া ‘শিপিং অর্ডিনেন্স ১৯৭৬ এর বিভিন্ন ধারা ভঙ্গ করে ওভারলোডিং করা, মাস্টার ও ড্রাইভারের যথাযথ সার্টিফিকেট না থাকা, নিরাপত্তা সরঞ্জাম না রাখা, অগ্নি নির্বাপক যন্ত্রের মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়া ও বে-ক্রসিংবিহীন লাইটারেজ পরিচালনাসহ বিভিন্ন কারণে ৬ টি নৌযানকে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এসময় এম ভি বর্ষণ-২ লাইটারেজ জাহাজের মালিক থেকে ২৯ হাজার টাকা পোর্ট ডিউজ আদায় করা হয়। এছাড়া জরিমানাকৃত জাহাজগুলোর নাম হচ্ছে এম ভি প্রিন্স অফ রিদোয়ান, এম ভি কাজী সোনিয়া-১, এম ভি মা-বাবার দোয়া-১২, এম ভি আটপাড়া-১ ও ড্রেজার মাশাআল্লাহ।

এদিকে ডকইয়ার্ড ও শিপইয়ার্ডকে পাঁচ দিনের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা খালি করার নির্দেশ দেয়া হয়। নতুবা তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন এই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

অর্থসূচক/ দেবব্রত/এমএইচ

এই বিভাগের আরো সংবাদ