বাংলা একাডেমির বিরুদ্ধে যত অভিযোগ
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » জাতীয়
বইমেলা

বাংলা একাডেমির বিরুদ্ধে যত অভিযোগ

অমর একুশে গ্রন্থমেলার আয়োজক প্রতিষ্ঠান বাংলা একাডেমির বিরুদ্ধে ১০টির বেশি অভিযোগ করেছে মেলায় অংশ নেওয়া প্রকাশকরা। বইমলোয় নানা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা হচ্ছে- এমন দাবিতে আয়োজক কর্তৃপক্ষ বাংলা একাডেমি বরাবর ১২ দফার অভিযোগপত্র দিয়েছে প্রকাশকদের সংগঠন বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশনা সমিতি।

কিন্তু অভিযোগগুলো আমলে না নিয়ে উল্টো প্রকাশকদের উপর ক্ষুব্দ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক (ডিজি) শামসুজ্জামান খান।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশনা সমিতির সভাপতি ওসমান গণির সই করা এ সম্পর্কিত একটি চিঠি নিয়ে বাংলা একাডেমিতে আসেন প্রকাশকরা।

১২ দফা অভিযোগের মধ্যে অন্যতম হলো- মেলায় বিভিন্ন স্টলে পাইরেটেড বই বিক্রি, ভারতীয় লেখকদের বই বেআইনিভাবে বিক্রি, বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে অপ্রকাশক বিভিন্ন এনজিওকে বইয়ের স্টল বরাদ্দ, ‘সিসিমপুর’ স্টলের শিশুচত্বর দখলের অভিযোগ, পর্যাপ্ত আলো ও পানীয় জলের সংকট, ধূলো নিয়ন্ত্রণে পানি না ছিটানো, বিভিন্ন স্টল নির্মাণের অবকাঠামোগত অসমতা প্রভৃতি।

প্রকাশকরা আরও অভিযোগ করেন, প্রতিটি গুচ্ছে ১/২/৩/৪ ইউনিট স্টল সমন্বয় করা হবে বলা হলেও বাস্তবে এর কিছুই নেই। তাছাড়া স্টলে ক্রম ধারাবাহিকতাও মানা হয়নি।

মেলার শেষের দিকে এসে কেন বাংলা একাডেমিকে এ অভিযোগপত্র দেওয়া হলো- এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সমিতির সভাপতি ওসমান গণি বলেন, ‘আমরা অনেক কিছু নিজেরা ভালোভাবে পরখ করে তারপর অভিযোগপত্র দিতে চেয়েছি। যে অভিযোগগুলো করা হয়েছে সেগুলো এখন বাংলা একাডেমি ভালোভাবে তলিয়ে দেখুক। এর সত্যতা পাবে।

এ ব্যাপারে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান বলেন, ‘তাদের অভিযোগ এতো গুরুত্বপূর্ণ নয়। তারা মেলা না করে শুধু ভুলই ধরবে। কোনো দায়িত্বের বেলায় নেই, কেবল অভিযোগ করার বেলায় আছে। তারা (প্রকাশকরা) বইয়ের বিক্রেতা, এ ছাড়া আর কিছু না।

তিনি আরও বলেন, গত সোমবার একটি স্টলে আগুন লাগানো হলো, সে সময় তারা কি কেউ এসেছিল? আমরা তাদের প্রতি ক্ষুব্ধ। তারা কিছুই করছে না, শুধু অভিযোগই করছে।

মহাপরিচালক আরও বলেন, ‘পাইরেটেড বই ধরতে টাস্কফোর্স আছে, তারা কাজ করবে। বাংলা একাডেমির কাছে অভিযোগ করে কী লাভ!

অর্থসূচক/শাফায়াত/ শাহীন

এই বিভাগের আরো সংবাদ