নেপাল ভূমিকম্প: ৪৮ জনের লাশ এখনও হাসপাতালে
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » আন্তর্জাতিক

নেপাল ভূমিকম্প: ৪৮ জনের লাশ এখনও হাসপাতালে

নেপালের ভয়াবহ দুই ভূমিকম্পের ঘটনার প্রায় ১০ মাস হয়ে গেল। তারপরও এখনও ৪৮ লাশের পরিচয় পাওয়া যায়নি। বর্তমানে লাশগুলো কাঠমাণ্ডু হাসপাতালে রয়েছে। কিন্তু সেখানে পর্যাপ্ত রেফ্রিজারেশনের অভাবে সেগুলো পচে যাচ্ছে।

নেপালে দুই ভয়াবহ ভূমিকম্পের ১০ মাস অতিবাহিত হলেও ৪৮ লাশের পরিচয় পাওয়া যায়নি। ছবি: হিন্দুস্তান টাইমস

নেপালে দুই ভয়াবহ ভূমিকম্পের ১০ মাস অতিবাহিত হলেও এখনও ৪৮ লাশের পরিচয় পাওয়া যায়নি। ছবি: হিন্দুস্তান টাইমস

আজ মঙ্গলবার ভারতের শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে নানা ধরনের রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সেখান থেকে লাশগুলো অতিসত্ত্বর অপসারণের জন্য সরকারকে বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছে।

ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয় টিচিং হাসপাতালের (টিইউটিএইচ) রিজেন শ্রেষ্ঠা বলেন,  লাশগুলো পৃথক ৪৮টি প্যাকেটে রাখা আছে। সেগুলো খুবই খারাপ অবস্থায় রয়েছে। দুই মাস আগেই রেফ্রিজারেশন কার্যক্রম অচল হয়ে পড়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

লাশগুলো কাঠমান্ডু ভ্যালি, ডোলাখা জেলা এবং রাসুবা জেলার ল্যাংট্যাং থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল। ধারণা করা হয়, এসব জায়গায় ভূমিকম্পের সময় স্থানীয় ও বিদেশি মিলে প্রায় ১০০ জনের অধিক মারা গিয়ে থাকতে পারেন।

শেষ্ঠা বলেন, আমরা কিছু লাশের লিঙ্গ শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছি। এগুলোর বেশিরভাগই বিদেশি। কিন্তু ওই সময় যাদের কেবল কঙ্কালদেহ আনা হয়েছিল তাদের লিঙ্গ শনাক্ত করা যায়নি।

সমস্যাটি হলো যেসব প্যাকেটে লাশগুলো স্টোর করা হয়েছিল; তার রেফ্রিজারেশন কার্যক্রম তাৎক্ষণিক নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু তা কারও চোখে পড়েনি। ফলে কাঠমান্ডুর তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সেগুলোতে তীব্র মাত্রায় পচন ধরে। এ বিষয়টি নজরে আসার পরই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের টনক নড়ে। ইতোমধ্যে তা অপসারণেরে জন্য তোড়জোড় শুরু হয়েছে।

কাঠমান্ডুর প্রধান জেলা কর্মকর্তা রাম কৃষ্ণা সুবেদি বলেন, এ সমস্যা সমাধানে আমরা একটি কমিটি গঠন করেছি। তারাই শিগগিরই লাশগুলো সমাহিত করার স্থান নির্ধারণ এবং অপসারণের ব্যবস্থা করবে।

প্রসঙ্গত, গত বছরে এপ্রিল ও মে মাসে নেপালে ভয়াবহ দুই ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে দেশটির ১৪ জেলার প্রায় ৯ হাজার মানুষ প্রাণ হারান। ধারণা করা হয়, এখনও অনেক স্থানে পাথরের নিচে চাপা পড়ে আছে ডজন ডজন লাশ।

এই বিভাগের আরো সংবাদ