'ওভার এক্সপোজার সমন্বয়ের সময় বাড়ানোর কাজ চলছে'
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » পুঁজিবাজার

‘ওভার এক্সপোজার সমন্বয়ের সময় বাড়ানোর কাজ চলছে’

পুঁজিবাজারে বিভিন্ন ব্যাংকের বাড়তি বিনিয়োগ সমন্বয়ের সময়সীমা ২ বছর বাড়বেই। বিষয়টি নিয়ে অর্থমন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ কাজ করছে। শিগগির এ বিষয়ে নির্দেশনা জারি হবে। বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এ কথা বলেছেন।

আজ রোববার বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ) এর নতুন পর্ষদ মন্ত্রির সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন। সাক্ষাৎ শেষে বিএমবিএ সভাপতি মো. ছায়েদুর রহমান এই তথ্য জানিয়েছেন।

আজ রোববার বিএমবিএ এর নতুন পর্ষদ বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন।

আজ রোববার বিএমবিএ এর নতুন পর্ষদ বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন।

উল্লেখ, ২০১৩ সালে ব্যাংক কোম্পানি আইনের সংশোধনীতে পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগের পরিমাণ (Exposure) গণনার সংজ্ঞায় পরিবর্তন আনে। এর ফলে বেশ কয়েকটি ব্যাংকের বিনিয়োগের পরিমাণ নির্ধারিত সীমার বাইরে চলে যায়। আইনে এই বাড়তি বিনিয়োগ সমন্বয়ের জন্য ২০১৬ সালে ২৩ জুলাই পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়।

পুঁজিবাজারের চলমান মন্দা অবস্থার প্রেক্ষাপটে সংশ্লিষ্টরা এই সময় বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছেন। কিছুদিন আগে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত সময়সীমা বাড়ানোর ঘোষণাও দেন। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিষয়ে কোনো সাড়াশব্দ না করায় সময় বাড়ানোর বিষয়টি নিয়ে অস্পষ্টতা ও অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। তার পরিপ্রেক্ষিতে আজ বিএমবিএ বাণিজ্যমন্ত্রীর কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করেন। জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী সময় বাড়ানোর আশ্বাস দেন।

গত বছরের ২০ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক পুঁজিবাজারে ব্যাংক ও নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বাড়তি বিনিয়োগের বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। যাতে বলা হয় চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠানের (Subsidiary) মূলধন পুঁজিবাজারে মূল ব্যাংকের মোট বিনিয়োগ ( Bank Exposure)হিসেবে গণ্য হবে না। ফলে এ পরিমাণ টাকা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে পারবে ব্যাংকগুলো।

উল্লেখ, বর্তমানে প্রতিটি ব্যাংক তার রেগুলেটরি মূলধনের ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বিনিয়োগ করতে পারে। বিনিয়োগের পরিমাণ গণনায় ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠানের (ব্রোকারহাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংক) মূলধনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। যদিও বিদ্যমান আইন অনুসারে সাবসিডিয়ারি কোম্পানিগুলো স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। এদের প্রতিটির রয়েছে আলাদা পর্ষদ। বিনিয়োগ, মুনাফা ও ঝুঁকি-সবই নিজস্ব। তাই সাবসিডিয়ারি কোম্পানির মূলধনকে মূল ব্যাংকের এক্সপোজারে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টিকে অযৌক্তিক হিসেবে হিসেবে দাবি করে আসছিলেন সংশ্লিষ্টরা।

অর্থসূচক/মাহমুদ/গিয়াস

এই বিভাগের আরো সংবাদ