প্রকাশ্যে চুমু ঠেকাবে ওলামা লীগ
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » টুকিটাকি
ভ্যালেন্টাইন ডে

প্রকাশ্যে চুমু ঠেকাবে ওলামা লীগ

দেশে ভ্যালেন্টাইন’স ডে পালনে নিষেধাজ্ঞা এবং খালেদা মার্কা পাতলা পোশাক, বেহায়া সাজগোজ,  সব বিজাতীয় অনুষ্ঠান ও কর্মকান্ড নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছে আওয়ামী ওলামা লীগসহ সমমনা ১৩ দল।

মানববন্ধন ওলামা লীগ। ছবি সংগৃহীত

মানববন্ধন ওলামা লীগ। ছবি সংগৃহীত

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধন ওলামা লীগের সমমনা  সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে এ দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ১৯৮৩ সালে সামরিক স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে প্রথম আন্দোলন ও আত্মাহুতির দিন ছিল ১৪ ফেব্রুয়ারি।  এই দিনে নিহত হন জয়নাল, জাফর, মোজাম্মেল আইয়ুবসহ নাম না জানা অনেকে। কিন্তু দিনটি স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস হিসেবে পালিত না হয়ে ভ্যালেন্টাইন’স ডে হিসেবে উদযাপিত হচ্ছে।

তারা বলেন, বিএনপি ক্রমাগত পচে যাওয়ায় কালের বিবর্তনে খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা সাংবাদিক ড. শফিক রেহমান ১৯৯৩ সালে যায়যায়দিন প্রত্রিকার মাধ্যমে এ দেশে ভ্যালেন্টাইন’স ডে পালন শুরু করেন। সেই থেকে শুরু। এ দিন উপলক্ষ্যে খালেদা জিয়া মার্কা পোশাক ও বেহায়া সাজগোজ বাজারজাত করে তরুণ-তরুণীদের অশ্লীলতায় নিমজ্জিত করা হচ্ছে।

বক্তারা আরও বলেন, ভ্যালেন্টাইন’স ডে তথা বেহায়াপনা দিবস চালু করার মাধ্যমে এ দিনে প্রকাশ্যে বেহায়াপনা, এক জন আরেকজনকে জড়িয়ে ধরা, সম্ভ্রমহরণে মত্ত হওয়া, মদ খাওয়া, নাচানাচি করা, হোটেলগুলোতে ডিজে পার্টি করা, নিজেদের বিবস্ত্রভাবে উপস্থাপন করাসহ হাজারো অশ্লীলতার মাধ্যমে আবহমান কালের বাঙালির পারিবারিক-সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ ধ্বংস করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক কাজী মাওলানা মুহাম্মদ আবুল হাসান শেখ শরীয়তপুরী বলেন, সমাজে আবাধ অশ্লীলতার ব্যাপকতা আরও ছড়িয়ে দিতে দেশবিরোধী কুচক্রীরা ১৪ ফেব্রুয়ারী সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রকাশ্যে চুমু খাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। অথচ তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ এখনও কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। তা অত্যান্ত হতাশাজনক।

তিনি অঙ্গীকারবদ্ধ হয়ে বলেন, আগামীকাল যে কোনও মূল্যে প্রকাশ্যে চুমু খাওয়ার অনুষ্ঠান প্রতিহত করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণার মাঠের পবিত্রতা রক্ষা করব।

অবিলম্বে রাষ্ট্রদ্রোহী মামলায় মাহফুজ আনামকে গ্রেপ্তার করা ও ইসলাম ধর্ম ও সরকার বিরোধী প্রথম আলো এবং দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকা দুটি নিষিদ্ধের দাবি জানায় সংগঠনটি।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- সংগঠনের সভাপতি মাওলানা নূর মুহাম্মদ আহাদ আলী সরকার, সম্মেলিত ইসলামী গবেষণা পরিষদের সভাপতি হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ আব্দস সাত্তার, বঙ্গবন্ধু ওলামা ফউন্ডেশনের সভাপতি মুফতি মাসুম বিল্লাহ নাফেয়ী প্রমুখ।

অর্থসূচক/মাইদুল/ডিএইচ

এই বিভাগের আরো সংবাদ