'স্বাভাবিকের চেয়ে ৩১ গুণ বেশি কীটনাশক সবজিতে'
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » কৃষি

‘স্বাভাবিকের চেয়ে ৩১ গুণ বেশি কীটনাশক সবজিতে’

জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের ফুড সেফটি ল্যাবরেটরির পরীক্ষায় বাজারের বিভিন্ন সবজিতে ব্যাপক মাত্রায় কীটনাশক ধরা পড়েছে। ফসল ভেদে সহনশীল মাত্রার চেয়ে ৫ গুণ থেকে ৩১ গুণ বেশি কীটনাশকের অস্থিত্ব পাওয়া গেছে। অন্যদিকে বোতলজাত ভোজ্যতেলের ৪০ শতাংশের বেশি নমুনায় ক্ষতিকারক দ্রব্য ও ভেজাল ধরা পড়েছে। তবে নুডলসে ক্ষতিকারক তেমন কিছু পাওয়া যায়নি।

জানুয়ারি মাসের পণ্য নিয়ে ন্যাশনাল ফুড সেফটি ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষায় পর প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, কীটনাশক ব্যবহারের পর নির্দিষ্ট সময়ের আগেই পণ্য সরবরাহ করা পণ্যগুলোতে বেশি পরিমাণে কীটনাশকের অস্থিত্ব পাওয়া গেছে। এর মধ্যে মাঠের সবজিতে ৪০ শতাংশ, পাইকারি বাজারের সবজিতে ৩২ শতাংশ এবং খুচরা বাজারের সবজিতে ২৮ শতাংশ ক্ষতিকর কীটনাশকের অস্থিত্ব পাওয়া গেছে। অর্থাৎ সময় বাড়তে থাকলে কীটনাশকের পরিমাণ কমতে থাকে।

জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক ডা.এ.কে.এম. জাফর উল্যাহ বলেন, কীটনাশক ব্যবহারের মাত্রার বিষয়ে কৃষকদের সচেতন করতে হবে। তাহলে পাইকারি ও খুচরা বাজারের সবজিতে বেশি মাত্রায় কীটনাশক পাওয়া যাবে না।

কীটনাশক ব্যবহারের পর নির্দিষ্ট সময়ের আগেই পণ্য সরবরাহ করা পণ্যগুলোতে বেশি পরিমাণে কীটনাশকের অস্থিত্ব পাওয়া গেছে। এর মধ্যে মাঠের সবজিতে ৪০ শতাংশ, পাইকারি বাজারের সবজিতে ৩২ শতাংশ এবং খুচরা বাজারের সবজিতে ২৮ শতাংশ ক্ষতিকর কীটনাশকের অস্থিত্ব পাওয়া গেছে। অর্থাৎ সময় বাড়তে থাকলে কীটনাশকের পরিমাণ কমতে থাকে।

ফুড সেফটি ল্যাবরেটরির তথ্যমতে, শস্যে কীটনাশক দেওয়ার পর অনন্ত ৭ দিন সময় নেওয়া উচিত। ওই সময়ের মধ্যে কীটনাশকের প্রভাব দূর হয়ে যায়। কিন্তু কীটনাশক দেওয়ার পর ৭ দিন অপেক্ষা না করে শস্য বাজারে সরবরাহ করা হলে কীটনাশকের মাত্রা অবশ্যই থেকে যাবে।

ফুড সেফটি ল্যাবরেটরির পরীক্ষায় খুচরা বাজারের লাল শাকে কীটনাশক পাওয়া গেছে সহনশীল মাত্রার চেয়ে ৩১ গুণ বেশি; ফুলকপিতে ১০ গুণ বেশি, শিমে ১০ গুণ বেশি ও কাঁচামরিচে সহনশীল মাত্রার চেয়ে ৫ গুণ বেশি।

জানুয়ারি মাসে ফুড সেফটি ল্যাবরেটরিতে ভোজ্যতেলের পরীক্ষায় দেখা গেছে, বাজারের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের তেল ও খোলা তেলের প্রায় ৪০ শতাংশ নমুনায় এসিডিটির পরিমাণ সহনশীল মাত্রার চেয়ে বেশি। একই সময়ে দেশি-বিদেশি নুডলসের পরীক্ষায় ক্ষতিকর মাত্রায় সিসার উপস্থিতি পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে ফুড সেফটি ল্যাবরেটরি।

ডা. জাফর উল্যাহ বলেন, ব্যবসায়ীরা অধিক মুনাফার জন্য উচ্চমানের তেলের সঙ্গে নিম্নমানের তেল মেশান। এই মিশ্রণের কারণে তেলে এসিডিটি বেড়ে যায়। এসিডিটির কারণে ভোক্তাদের আলসারসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর রোগ হতে পারে।

রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণও গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মাহমুদুর রহমান বলেন, কীটনাশকের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় শিশুদের। মৃত্যু না হলেও মানবদেহের প্রধান প্রধান অঙ্গ যেমন—লিভার, কিডনির ক্ষতি হয়।

অর্থসূচক/এমই/

এই বিভাগের আরো সংবাদ