গ্রন্থমেলার প্রামাণ্য ইতিহাস প্রণয়নের দাবি
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » বই মেলা

গ্রন্থমেলার প্রামাণ্য ইতিহাস প্রণয়নের দাবি

অনতিবিলম্বে অমর একুশে গ্রন্থমেলার একটি প্রামাণ্য ইতিহাস প্রণয়ন করা জরুরি। অমর একুশে গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা: অতীত থেকে বর্তমান’ শীর্ষক আলোচনায় বক্তারা এ কথা বলেন।

তারা বলেন, অমর একুশে গ্রন্থমেলা বিশ্বের দীর্ঘ সময়ব্যাপ্ত গ্রন্থমেলার স্বীকৃতি অর্জন করেছে। তবে এখন আমাদের গ্রন্থমেলা নিয়ে কিছু অগ্রবর্তী ভাবনারও সময় এসেছে। অনতিবিলম্বে অমর একুশে গ্রন্থমেলার একটি প্রামাণ্য ইতিহাস প্রণয়ন করা জরুরি।

অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে গবেষক বদিউদ্দিন নাজির বলেন, ১৯৮৪ সাল থেকে একই নামে গ্রন্থমেলা বৃহৎ কলেবরে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। সেই থেকে প্রতিবারই অংশগ্রহণকারী প্রকাশকের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ১৯৮৪ সালে বাংলা একাডেমির গ্রন্থমেলার অংশগ্রহণকারী প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৫২টি, এখন তার সংখ্যা অনেক বেড়েছে। গ্রন্থমেলায় স্টলের পাশাপাশি সুপরিসর প্যাভিলিয়নের ব্যবস্থা করায় মেলা আরও সুদৃশ্য ও পেশাদারী চেহারা পেয়েছে।

তিনি বলেন, গ্রন্থমেলা ইতোমধ্যে দেশের একটি প্রধান সাংস্কৃতিক আয়োজন হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। দেশের প্রকাশক ও পাঠকদের জন্য বাংলা একাডেমির অমর একুশে গ্রন্থমেলা হয়ে ওঠেছে মহামিলনতীর্থ।

সেইসঙ্গে মেলায় এদেশের পথিকৃৎ প্রকাশকদের ছবি ও পরিচিতি সংবলিত একটি প্রদর্শনী আয়োজন করা উচিত যার মধ্য দিয়ে নতুন প্রজন্ম জানতে পারে গ্রন্থসুহৃদ পূর্বসুরীদের।

ইমেরিটাস প্রকাশক মহিউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন মুহম্মদ জাহাঙ্গীর, ড. জালাল আহমেদ এবং খান মাহবুব।

অর্থসূচক/এসএমএস/এমই/

এই বিভাগের আরো সংবাদ