আরও সহজ হলো মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » অর্থনীতি

আরও সহজ হলো মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি

আরও সহজ হলো শিল্পে ব্যবহৃত মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানির প্রক্রিয়া। এখন থেকে আর সরাসরি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অনুমতি লাগবে না। কাস্টমস কমিশনারের অনুমতিতেই দেশের উদ্যোক্তারা এ মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি করতে পারবেন।

দেশে বিনিয়োগ বাড়ানোর মাধ্যমে কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে শিল্পে ব্যবহৃত মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি আরও সহজ করতে একটি নীতিমালা করেছে এনবিআর। নীতিমালাটি আদেশ আকারে জারি করা হয়েছে।

রাজস্ব ভবন। ছবি সংগৃহীত

রাজস্ব ভবন। ছবি সংগৃহীত

নীতিমালায় এই সুযোগের কথা বলা হয়েছে। এতে বলা হয়, নীতিমালা করার ফলে এখন শিল্পের মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানিতে আগের মতো এনবিআরের অনুমতি লাগবে না। সংশ্লিষ্ট কাস্টমস কমিশনারের অনুমতিতেই পণ্য খালাস করা যাবে। তবে কমিশনারের কাছে শিল্পের প্রোফরমা ইনভয়েস, লে-আউট প্ল্যান, নকশা, প্রকল্পপত্র, টার্নকি চুক্তিসহ অন্যান্য দলিলাদি জমা দিয়ে আবেদন করতে হবে। কমিশনারের অনুমোদন পেলে এক বা একাধিক চালান/ঋণপত্রের মাধ্যমে এক বা একাধিক দেশ থেকে একটি কাস্টমস স্টেশনের মাধ্যমে মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি করতে পারবে আমদানিকারক।

তবে একই পদ্ধতিতে একাধিক কাস্টমস স্টেশনের মাধ্যমে মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানির ক্ষেত্রে আমদানিকারককে প্রয়োজনীয় দলিলাদিসহ এনবিআর সদস্য (শুল্ক নীতি) বরাবর আবেদন করতে হবে। পরে শর্ত সাপেক্ষে এনবিআর থেকে শংশ্লিষ্ট কা্স্টমস হাউসের কর্তৃপক্ষকে আদেশ দিবে।

এছাড়া রেয়াতি প্রজ্ঞাপনে আওতাভুক্ত নয়- এমন নতুন ও প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পের মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি করতে চাইলে কী ধরনের শুল্ক রেয়াত সুবিধা দেওয়া যেতে পারে- এসব বিষয়ে সিদ্ধান্তের জন্য জাতীয় পর্যায়ে ৬ সদস্যের একটি কমিটি গঠনের কথা নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে। যেখানে এফবিসিসিআই প্রতিনিধি, শিল্প মন্ত্রণালয়, বিনিয়োগ বোর্ড, ট্যারিফ কমিশন ও এনবিআরের প্রতিনিধি থাকবেন। তারা বসে বিষয়টি সুরাহা করবেন।

নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, প্লান্ট বা শিল্প কারখানা স্থাপনের কাজে ব্যবহৃত সব ধরনের মেশিন এবং এগুলোর সংযোগকারী পাইপ, কেবল, ট্রান্সমিশন, অ্যাঙ্গেলসহ অন্যান্য যন্ত্রাংশকে মূলধনী যন্ত্রপাতি (এইচএস কোড) হিসেবে গণ্য হবে। এ জন্য কারখানার লে-আউট প্ল্যান, নকশা ও অন্যান্য কাগজপত্র এনবিআর ও কাস্টমস স্টেশনের কমিশনারের কাছে জমা দিতে হবে। প্লান্টের প্রত্যেক অংশকে আলাদা পণ্য হিসেবে বিবেচনা করে আলাদা এইচএস কোডে শ্রেণিবিন্যাস করা হবে না। শিল্পের মূল কাজ অনুযায়ী এসব যন্ত্রপাতিকে সংশ্লিষ্ট হেডিংয়ের অধীনে এইচএস কোডে শ্রেণিবিন্যাসের মাধ্যমে শুল্ক আদায় করা হবে।

অর্থসূচক/মাইদুল/শাহীন

এই বিভাগের আরো সংবাদ