হল-মার্ক কেলেঙ্কারি: ১৩ জনকে দুদকে তলব
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » লিড নিউজ

হল-মার্ক কেলেঙ্কারি: ১৩ জনকে দুদকে তলব

ছবি সংগৃহীত

ছবি সংগৃহীত

হল-মার্ক কেলেঙ্কারির নন-ফান্ডেড অংশের দুর্নীতি অনুসন্ধানে জন্য রাজধানীর ৮ প্রতিষ্ঠানের ১৩ জনকে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করে চিঠি পাঠান দুদক পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদিন শিবলী। সোমবার দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে তাদের স্ব-স্ব ঠিকানায় পৃথক চিঠি পাঠানো হয়।

চিঠিতে তাদের আগামী ১৪ ও ১৫ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য অর্থসূচককে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

যাদের তলব করা হয়েছে তারা হলেন- রাজধানীর মতিঝিলের ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান মাস টেক্সটাইল অ্যান্ড স্পিনিং ইন্ডাস্ট্রিজের দুই পার্টনার মো. শহিদুল ইসলাম ও সাব্বির আহমেদ এবং একই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. মাহবুবুল হক ভূইয়া; সমতা টেক্সটাইল অ্যান্ড স্পিনিং এর পার্টনার মো. লুৎফর রহমান ও হেলাল উদ্দিন এবং ওই প্রতিষ্ঠানের এমডি মো. সেলিম মোর্শেদ; তানিয়া এন্টারপ্রাইজের মালিক একেএম মারুফ রেজা; সাধাপুর টেক্সটাইল মিলসের মালিক রুহী দাস চক্রবর্তী ও ওই প্রতিষ্ঠানের আমমোক্তার নারায়ণ দাস; মেসার্স গোমতী এন্টারপ্রাইজের মালিক এস এম জসীম উদ্দিন মাহমুদ; অপসনিন টেক্সটাইলের মালিক গিয়াস উদ্দিন মুহাম্মদ খান; রোটর স্পিনিং মিলসের মালিক সাইফুল আলম খান এবং একে কটন ইয়ার্ন ট্রেডিং জোনের মালিক মো. আখতারুজ্জামান খান।

দুদক সূত্র জানায়, হলমার্ক ও তার পাঁচ সহযোগী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ফান্ডেড, নন-ফান্ডেডসহ মোট তিন হাজার ৪৬৮ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ছিল। এর মধ্যে ফান্ডেড অংশের তদন্ত শেষ করেছে কমিশন। এ অংশে দায়ের করা মোট ৩৮টি মামলার বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য মামলাগুলোর চার্জশিট আদালতে দাখিল করা হয়েছে। ২০১৪ সালের ৮ এপ্রিল দাপ্তরিকভাবে নন-ফান্ডেড অংশের প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা লোপাটের অনুসন্ধানকাজ বন্ধ করে কমিশন।  হলমার্কের নন-ফান্ডেড অংশের এ অভিযোগ কমিশনের ‘সিডিউলভুক্ত অপরাধের’ তালিকায় থাকলেও অজ্ঞাত কারণে দীর্ঘদিন এ অনুসন্ধান কার্যক্রম বন্ধ ছিল।

প্রায় দেড় বছর অনুসন্ধান বন্ধ থাকার পর গত বছরের আগস্ট মাসে ফের অনুসন্ধান শুরু করার নির্দেশে দেওয়া হয়।

নন-ফান্ডেড অংশের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ৩৭টি ব্যাংকের ১২০টি শাখা ও বেশ কয়েকটি আর্থিক ও ব্যবাসায়ী প্রতিষ্ঠান হলমার্কের নন-ফান্ডেড অংশের সঙ্গে সম্পৃক্ততা রয়েছে।  এ সব ব্যাংক থেকে ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে হলমার্ক নগদ হাতিয়ে নিয়েছে এক হাজার ৫৩৮ কোটি ৮২ লাখ টাকা।  নন-ফান্ডেড অংশের জালিয়াতিতে ব্যাংকগুলোর মধ্যে সরকারি সাতটি, বেসরকারি ২৫টি ও বিদেশি পাঁচটি ব্যাংক রয়েছে।  আর এসব ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে হলমার্ক সুতা, তুলা, ফেব্রিক্স এবং এক্সেসরিজ সরবরাহ করেছে মর্মে জালিয়াতি করেছে অভিযোগে বলা আছে।

অর্থসূচক/এমআই/এসএম

এই বিভাগের আরো সংবাদ