এলপিজি সরবরাহে ট্রানজিট চায় ভারত
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » লিড নিউজ

এলপিজি সরবরাহে ট্রানজিট চায় ভারত

বোতলজাত লিকুইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) পরিবহনে বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে ট্রানজিটের (পণ্য পরিবহনে সড়ক ব্যবহার) অনুমতি চেয়েছে ভারত। দ্য হিন্দু অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে জানানো হয়েছে, গতকাল শনিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জ্বালানি উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরীর (বীর বিক্রম) সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এই ট্রানজিটের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন ভারতের তেলমন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। উভয় দেশের জ্বালানি অন্বেষণ ও বাণিজ্যে সহযোগিতার বিষয়ে দ্বি-পাক্ষিক আলোচনা করেন তারা।

এসময় ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় এলাকায় বোতলজাত এলপিজি সরবরাহের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ট্রানজিট ব্যবহারের অনুকূল সহযোগিতা চেয়েছেন ভারতের তেলমন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের ভূখণ্ডে জ্বালানি অন্বেষণ, শোধন এবং এর সম্প্রসারণে ভারতের কোম্পানিগুলো বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী। ভৌগলিক নৈকট্যের কারণে এতে কিছু সুবিধা পাওয়া যাবে। জ্বালানি খাতে একসঙ্গে কাজ করলে উভয় দেশের অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য সুবিধা অনেক বাড়বে।

ওই প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, বোতলজাত এলপিজি ট্রানজিটের অনুমতি পাওয়া গেলে ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে রান্নার কাজে ব্যবহৃত জ্বালানির সরবরাহ ব্যয় অনেক কমে যাবে। সেইসঙ্গে খুব দ্রুত সময়ে পৌঁছানোও সম্ভব হবে।

এতে বলা হয়েছে, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় এলাকাগুলোতে বাংলাদেশ থেকে অনেক পণ্য রপ্তানি হয়। পশ্চিমবঙ্গ থেকে বেশি দূরত্বের কারণে ওই অঞ্চল আমদানি নির্ভর হয় আছে। বাংলাদেশ থেকে ট্রানজিট সুবিধা পাওয়া গেলে এই আমদানি নির্ভরতা কমবে। এর পাশাপাশি চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর ব্যবহারের অনুমতি পাওয়া গেলে মিয়ানমার এবং থাইল্যান্ডের বাজার ধরতেও বিশেষ সুবিধা পাবে ভারত।

সম্প্রতি ভারতকে ট্রানজিটের অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ। ভারতের অয়েল অ্যান্ড ন্যাচারাল গ্যাস কর্পোরেশনের ত্রিপুরার বিদুৎ কোম্পানির আওতায় ত্রিপুরার পালাটানায় নির্মাধীন বিদুৎ প্রকল্পের প্রয়োজনীয় ভারী উপকরণ ট্রনজিট করা হচ্ছে।

অর্থসূচক/এমই/

এই বিভাগের আরো সংবাদ