জানুয়ারিতে আসছে আত্মহত্যা প্রতিরোধী অ্যাপ
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » টেক

জানুয়ারিতে আসছে আত্মহত্যা প্রতিরোধী অ্যাপ

আত্মহত্যা একটি মানসিক রোগ। বিশ্বের অনেক দেশের মানুষ এই রোগে আক্রান্ত। প্রায় প্রতিদিনই সংবাদমাধ্যমগুলোতে আত্মহত্যার খবর দেখা যায়। আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রেক্ষাপট অনেক করুণ গল্পও থাকে পত্রিকার পাতাজুড়ে।

প্রতিটি ধর্মেই হত্যা এবং আত্মহত্যাকে পাপকাজ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। আত্মহত্যা ঠেকাতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়। বাংলাদেশ ও ভারতে আত্মহত্যার বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাতে কাজ করছে বেশকিছু সংগঠন।

বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ব্যবহারকারীদের আত্মহত্যা থেকে দূরে রাখতে ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে নতুন ফিচার সংযুক্তির ঘোষণা দিয়েছিল ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। দক্ষিণ কোরিয়ায় আত্মহত্যা ঠেকাতে বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়। সেখানে কফিন চিকিৎসা, কৌতুক, ঘুম ও বিশ্রামসহ নানা পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়।

আত্মহত্যা ঠেকাতে সম্প্রতি মোবাইল অ্যাপ তৈরির ঘোষণা দিয়েছে ব্রিটেনের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস গবেষকদের একটি দল। তারা জানান, স্মার্টফোনে ব্যবহারের জন্য তৈরি অ্যাপটি মানুষকে আত্মহত্যা থেকে বিরত রাখতে সাহায্য করবে।

প্রতিটি ধর্মেই হত্যা এবং আত্মহত্যাকে পাপকাজ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। আত্মহত্যা ঠেকাতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়। বাংলাদেশ ও ভারতে আত্মহত্যার বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাতে কাজ করছে বেশকিছু সংগঠন। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ব্যবহারকারীদের আত্মহত্যা থেকে দূরে রাখতে ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে নতুন ফিচার সংযুক্তির ঘোষণা দিয়েছিল ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। দক্ষিণ কোরিয়ায় আত্মহত্যা ঠেকাতে বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়। সেখানে কফিন চিকিৎসা, কৌতুক, ঘুম ও বিশ্রামসহ নানা পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়।

এই অ্যাপের সাহায্যে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা আত্মহত্যা প্রবণ ব্যক্তির সারাদিনের কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। এর মাধ্যমে রোগীর সব ধরণের ডিজিটাল যোগাযোগ যেমন- ইমেইল, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম এবং ফোন কল পর্যন্ত পর্যবেক্ষণের আওতায় থাকবে। ফলে সম্ভাব্য যেকোনো আত্মহত্যার উদ্যোগ সম্পর্কে আগাম ধারণা পাওয়া যাবে।

লিভারপুল ভিত্তিক মার্সিকেয়ার এবং স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির গবেষকরা জানান, আগামী জুন মাসে এই অ্যাপের প্রোটোটাইপ তৈরি এবং ২০১৭ সালের জানুয়ারি মাসের দিকে কমপক্ষে একজন আত্মহত্যা প্রবণ ব্যক্তির উপর পরীক্ষা চালানোর চেষ্টা করা হবে। যেসব আত্মহত্যাপ্রবণ ব্যক্তি স্বেচ্ছায় তাদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করতে দেবে তাদেরকেই এই ‘অ্যাপ চিকিৎসা’র আওতায় রাখা হবে।

এই অ্যাপ সম্পর্কে গবেষক দলের একজন জানান, আত্মহত্যাপ্রবণ ব্যক্তি যখন কোনো আত্মহত্যার হটস্পটের দিকে এগিয়ে যাবে কিংবা কোনো বন্ধুর কাছে হতাশার কথা জানাবে- তখন অ্যাপের সাহায্যে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের কাছে এই বার্তা পৌঁছে যাবে। এতে তাকে আত্মহত্যা থেকে বিরত রাখতে কাজ করবেন চিকিৎসক।

মার্সিকেয়ারের মেডিকেল ডিরেক্টর ড. ডেভিড ফিয়ার্নলে বলেন, এই অ্যাপের সম্ভাবনা অনেক। আমাদের ধারণা, যাদের মধ্যে নিজেদেরকে ক্ষতি করার প্রবণতা অনেক বেশি, তাদের ব্যাপারে আমরা এখনকার চাইতে অনেক বেশি কার্যকরভাবে পূর্বাভাস পাব। ফলে তাদের জীবন রক্ষা করতেও আমরা কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারব।

অর্থসূচক/এমই

এই বিভাগের আরো সংবাদ