মানবতাবিরোধী অপরাধে তাহের-ননীর ফাঁসির রায়
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » অপরাধ ও আইন

মানবতাবিরোধী অপরাধে তাহের-ননীর ফাঁসির রায়

Taher Noniএকাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় নেত্রকোনার মো. ওবায়দুল হক তাহের ও আতাউর রহমান ননীর মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছে আদালত।

আজ মঙ্গলবার বিচারপতি মো. আনোয়ারুল হকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ রায় দেন।

রায়ে বলা হয়, আসামি তাহের ও ননীর বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের আনা ছয়টি অভিযোগের মধ্যে চারটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

আজ সকালে তাহের-ননীকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে নিয়ে আসা হয়।

এরপর শুরু হয় মামলার রায় ঘোষণার কার্যক্রম।

মো. ওবায়দুল হক তাহের ও আতাউর রহমান ননীর বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধে নিরস্ত্র মানুষকে অপহরণ, নির্যাতন, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ এবং হত্যার ছয়টি অভিযোগ আনা হয়।

উভয়পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে গত ১০ জানুয়ারি ট্রাইব্যুনাল মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমান (সিএভি) রাখে।

গত বছরের ২ মার্চ এ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। ৫ এপ্রিল তাদের বিরুদ্ধে সূচনা বক্তব্য পেশ ও সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর মধ্য দিয়ে মামলার বিচার শুরু হয়। মামলায় প্রসিকিউশনের পক্ষে ২৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। আসামিপক্ষ কোনো সাক্ষী হাজির করতে পারেননি।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২০১৪ সালের ১২ অগাস্ট নেত্রকোনা পুলিশ এ দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে তারা কারাগারে রয়েছেন।

তদন্ত সংস্থা সূত্র জানায়, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় এ দুই আসামি বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেন এবং পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীকে সহযোগিতা করতে গঠিত রাজাকার বাহিনীতে যোগ দেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় নেত্রকোনা জেলা সদর ও বারহাট্রাসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জন্য তারা ‘কুখ্যাত রাজাকার’ হিসেবে পরিচিতি পান। ওবায়দুল স্থানীয় রাজাকার বাহিনীর কমান্ডার হিসেবে ননীসহ অন্যান্য রাজাকার সদস্যদের নিয়ে নেত্রকোনা শহরের মোক্তার পাড়ার বলয় বিশ্বাসের বাড়ি দখল করে সেখানে রাজাকার ক্যাম্প স্থাপন করেছিলেন।

এই বিভাগের আরো সংবাদ