'জিকা ভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরিতে লাগবে ১ দশক'
শনিবার, ১৪ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » আন্তর্জাতিক

‘জিকা ভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরিতে লাগবে ১ দশক’

বর্তমানের আলোচিত এক ভাইরাসের নাম ‘জিকা’। বিশ্বজুড়ে বিস্ফোরক দ্রব্যের মতো ছড়িয়ে পড়ছে মশাবাহিত এই ভাইরাস। ভারত,পাকিস্তানসহ প্রায় ২০টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে জিকা ভাইরাস।  এর দ্বারা আক্রান্ত হলে কোনো চিকিৎসা নেই, প্রতিষেধকও নেই।

‘জিকা ভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরিতে লাগবে ১ দশক’

‘জিকা ভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরিতে লাগবে ১ দশক’

বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে আজ রোববার টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, জিকা ভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরি করে বাজারে ছাড়তে এখনও প্রায় ১ দশক সময় লাগতে পারে।

বিবিসির এক খবরে বলা হয়, ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাসের গবেষণাগারে চলছে এই জিকা ভাইরাসের প্রতিষেধক তৈরির কাজ। ব্রাজিল থেকে সংগ্রহ করা নমুনার ওপর গবেষণা চালাচ্ছেন তারা।

জিকা ভাইরাস সম্পর্কে জানুন

জিকা ভাইরাস সম্পর্কে জানুন

গবেষক ড. শাহনান রসি বলেছেন, অতি অল্প সময়ের মধ্যে অনেকগুলো প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হচ্ছে তাদের। এটা অন্যান্য প্রাণীকে আক্রান্ত করতে পারে কিনা? মানুষের দেহে এটা কতদিন থাকে? ঠিক কোন মশাগুলো জিকার বাহক? তারা এখনও গবেষণার একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছেন বলেও জানান তিনি।

খবরে বলা হয়, বিজ্ঞানীরা বলছেন, আগামী বছর নাগাদ পরীক্ষামূলক হলেও, একটি প্রতিষেধক হয়তো উদ্ভাবন করতে পারবেন তারা। কিন্তু নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এর জন্য একটা অনুমোদন বের করাটা নিশ্চিতভাবেই অনেক সময়সাপেক্ষ হবে।

গবেষকরা জানান, কার্যকর একটি প্রতিষেধক তৈরিতে খুব বেশী সময় লাগবে না, কিন্তু দীর্ঘ সময় লেগে যাবে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করতে এবং বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানের ছাড়পত্র পেতে। এজন্য দশ থেকে বারো বছর পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে। আর যেসব পোকামাকড় প্রাণঘাতী জীবাণু বহন করে সেগুলো নিয়ে কাজ করাও কম ঝুঁকিপূর্ণ নয়।

জিকা ভাইরাস সম্পর্কে জানুন

জিকা ভাইরাস সম্পর্কে জানুন

ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাসের গবেষণাগারে প্রতিষেধক তৈরির জন্য বিভিন্ন দেশ থেকে পনেরো হাজারের মত মশা সংগ্রহ করে নিয়ে আসা হয়েছে। এগুলোকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে রাখা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে জ্বর, র‍্যাশ (চামড়ায় লাল ফুসকুড়ি), গোঁড়ালিতে ব্যথা, চোখ লাল হয়ে যায়। এছাড়া পেশীতে ও মাথায়ও ব্যথা হতে পারে৷ জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত প্রতি ৫ জনের মধ্যে একজনের অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

অর্থসূচক/এমএইচ

এই বিভাগের আরো সংবাদ