মালয়েশিয়ার সেই তহবিল থেকে ৪০০ কোটি ডলার চুরি
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » আন্তর্জাতিক

মালয়েশিয়ার সেই তহবিল থেকে ৪০০ কোটি ডলার চুরি

মালয়েশিয়ার আলোচিত রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ইনভেস্টমেন্ট তহবিল ওয়ানএমডিবি থেকে ৪০০ কোটি মার্কিন ডলার ‘চুরি’ হয়েছে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা।

সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে প্রতিষ্ঠানটির কিছু অর্থ মালয়েশিয়ার সাবেক ও বর্তমান কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তা ও নেতার ধারণকৃত সুইস অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয়েছে। ছবি: বিবিসি

সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে প্রতিষ্ঠানটির কিছু অর্থ মালয়েশিয়ার সাবেক ও বর্তমান কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তা ও নেতার ধারণকৃত সুইস অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয়েছে। ছবি: বিবিসি

আজ শনিবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মালয়েশিয়ায় গজিয়ে ওঠা অর্থনৈতিক খাত ও সামাজিক উন্নয়নে বিনিয়োগের জন্য ২০০৯ সালে গঠিত হয় ওয়ানএমডিবি (ওয়ান মালয়েশিয়ান ডেভেলপমেন্ট বেরহাদ) তহবিল।

ওয়ানএমডিবির ঘাড়ে ১১০০ কোটি ডলারের বেশি ঋণ ঝুলে থাকায় গত বছর এই তদন্ত শুরু করে সুইস কর্তৃপক্ষ।

সুইজ্যারল্যান্ডের অ্যাটর্নি জেনারেল মাইকেল লবার বলেন, খুবই দুঃখজনক যে; এ তহবিল থেকে ব্যাপক অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ঘটেছে।

মাইকেল লবারের অফিস বলছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে প্রতিষ্ঠানটির কিছু অর্থ মালয়েশিয়ার সাবেক ও বর্তমান কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তা ও নেতার ধারণকৃত সুইস অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয়েছে।

তবে এ ব্যাপারে মালয়েশিয়া কোনও মন্তব্য করেনি।

লবার সুইস তদন্তকারীদের পূর্ণ বিচারিক কাজে সহায়তার জন্য মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানিয়েছেন।

২০০৯ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পর ওয়ানএমডিবির উদ্বোধন করেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজ্জাক। তিনি ওই তহবিলের উপদেষ্টা পরিষদের সভাপতি ছিলেন।

ওয়ানএমডিবি ফান্ড থেকে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৬৮১ মিলিয়ন ডলার জমা করা হয়েছে। তবে শুরু থেকেই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিলেন প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক। গত ২৬ জানুয়ারি মালয়েশিয়ার অ্যাটির্ন জেনারেল মোহাম্মদ আপান্দি আলি এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, নাজিব এক্ষেত্রে বেকসুর। এই অর্থ মূলত এসেছিল সৌদি রাজপরিবারের দেওয়া অনুদান থেকে। ইতোমধ্যে তিনি ৬২০ মিলিয়ন ডলার  ফেরতও দিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, গত বছরের জুলাইতে ওয়ালস্ট্রিট জার্নালের একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে ‘ওয়ানএমডিবি’ বিতর্কের জন্ম হয়।

এই বিভাগের আরো সংবাদ