পলিথিন উ‍ৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বন্ধের দাবি
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » লিড নিউজ

পলিথিন উ‍ৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বন্ধের দাবি

আগামী ৩ মাসের মধ্যে দেশের সব পলিথিন ব্যাগ ও টিস্যু পলিথিন শপিং ব্যাগ উ‍ৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশবান্ধব শপিং ব্যাগ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান (বিইএসএমও)।

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে এ দাবি জানানো হয়। মানববন্ধনের আয়োজন করে বাংলাদেশ পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (বাপা) এবং বিইএসএমও।

plastic bag_bapaবক্তারা বলেন, আইনের সঠিক বাস্তবায়ন না থাকায় অসাধু ব্যবসায়ীরা অবাধে নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন উৎপাদন ও বাজারজাত করে আসছে। বর্তমানে পলিথিনের কাঁচামাল দিয়ে এক ধরনের টিস্যু পলিথিন উৎপাদন করা হচ্ছে।

উৎপাদনকারীরা বলছে, এটা পরিবেশবান্ধব। কিন্তু আমরা ‍বুয়েট থেকে টেস্ট করে দেখেছি, পলিথিনের মতই টিস্যু পলিথিন পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

বক্তারা জানান, সরকার ২০০২ সালে পলিথিন উৎপাদন, বিপনণ ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। এ ঘোষণা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ এর ৬(ক) ধারাটি সংযোজন করা হয়। এ আইনের ১৫ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন সামগ্রী উৎপাদন, আমদানি বা বাজারজাত করে তবে তার শাস্তি হবে ১০ বছর কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড।

এসময় বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, সরকার পাট ও পাটজাত দ্রব্যের ব্যবহার বৃদ্ধিতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। পাশাপাশি পলিথিন উৎপাদনকারী অসাধু ব্যবসায়ীদের প্রশ্রয় দিয়ে যাচ্ছে। এ রকম দুই মুখী নীতি থেকে সরকারকে সরে এসে পলিথিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

বাপার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক স্থপতি ইকবাল হাবিব বলেন, পলিথিন তৈরির কাঁচামাল দিয়ে টিস্যু পলিথিন তৈরি করা হচ্ছে যা পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। টিস্যু পলিথিনের জন্য দেশীয় কাগজ শিল্প ধ্বংস হচ্ছে। পাশাপাশি এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হাজার হাজার শ্রমিক বেকার হচ্ছে।

পলিথিন জাতীয় শপিং ব্যাগের নিষিদ্ধ আইনের কার্যকর বাস্তবায়ন এবং পলিথিন উৎপাদনকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের শাস্তির দাবিসহ পাঁচ দফা দাবি জানায় সংগঠন দুটি।

মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিইএসএমও এর সভাপতি আব্দুল রহমান রানা, সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল হাসান মুজাহিদ প্রমুখ।

অর্থসূচক/এমআই/

এই বিভাগের আরো সংবাদ