ঘরে বসেই ব্যাংক ড্রাফট-পে অর্ডার
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » ব্যাংক-বিমা

ঘরে বসেই ব্যাংক ড্রাফট-পে অর্ডার

দরপত্র জমা কিংবা চাকরির আবেদন! তার আগে ব্যাংক ড্রাফট -পে অর্ডারের অর্থ জমা দিতে দৌঁড়ান ব্যাংকের দ্বারে দ্বারে। দীর্ঘ লাইন ঠেলে টাকা জমা দিলেন; তারপরও জমা হবে তিনদিন পর। এবার বোধ হয়, এ বিড়ম্বনার অবসান হতে চলেছে। শিগগির ব্যাংক ড্রাফট ও পে অর্ডারসহ সব ধরনের ট্রেজারি চালান -সরকারি চালানের অর্থও জমা দেওয়া যাবে অনলাইনে। এ উদ্দেশ্যে ‘ই-পেমেন্ট গেটওয়ে’ নামে একটি ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

bank draft

ই পেমেন্ট গেটওয়ে চালু হলে ব্যাংক ড্রাফট বা পে অর্ডারের জন্য ব্যাংকে যেতে হবে না। (ফাইল ছবি)

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ই-পেমেন্ট গেটওয়ে চালু হলে ব্যাংক ড্রাফট, পে অর্ডার, ট্রেজারি চালান, সরকারি চালান, ট্যাক্স ও বিভিন্ন ইউটিলিটি বিল (ওয়াসা, বিদ্যুৎ বিল, পরীক্ষার ফি ইত্যাদি) সরাসারি অনলাইনে ঘরে বসে প্রদান করা যাবে। গ্রাহক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা মোবাইল ফিন্যান্স সার্ভিসের মতো ভার্চুয়াল অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এ টাকা জমা দিতে পারবন। এর ফলে মুহূর্তে সরকারি-বেসরকারি যে কাজের বিপরীতে অর্থ ঘরে বসে জমা দেওয়া যাবে। অনলাইনে কেনা-কাটা সহজ হওয়ায় ই-কমার্সেও গতি আসবে। এছাড়া এ ব্যবস্থা সরকারি দপ্তরে কাগজের ব্যবহারও কমিয়ে আনবে।

কাগজপত্রের ব্যবহার কমে আসার ব্যাখা করতে গিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন বলেন. ব্যাংকে কোনো গ্রাহক চালান বা ট্রেজারি বিল জমা দেওয়ার পর এসব হিসাব একত্রে করে তা আবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগে রিপোর্ট আকারে প্রেরণ করতে হয়। ই-পেমেন্ট গেটওয়ে চালু হলে সে তথ্য সাথে সাথে মন্ত্রণালয়ে পৌঁছে যাবে।

ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ই-পেমেন্ট গেটওয়ের চালু করতে বর্তমানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডাটা সেন্টার আপগ্রেড করা হচ্ছে। সব ঠিক থাকলে চলতি বছরের মধ্যেই এ ব্যবস্থা চালু করা হতে পারে। বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে ফাইন্যান্সিয়াল সেক্টর সাপোর্ট প্রজেক্টের (এফএসএসপি) আওতায় এ ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে।

ই পেমেন্ট গেটওয়ে চালুর বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক শুভংকর সাহা বলেন, ‘ই-পেমেন্ট গেটওয়ে চালু হলে অনেক সুবিধা। এই যেমন কাউকে আর ব্যাংকে চালান জমা দিতে আসতে হবে না। ই-পেমেন্টের মাধ্যমে ইউটিলিটি বিল প্রদান ও কেনাকাটা অনলাইনে করা যাবে। আয়করসহ সব ধরনের রাজস্ব অনলাইনের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া যাবে।

তিনি এ প্রক্রিয়াকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদ্যোগে ব্যাংকিং খাতের অটোমেশনের আরো একটি ধাপ বলে উল্লেখ করেন।

অর্থসূচক/এসবি/শাহীন

এই বিভাগের আরো সংবাদ