১ বছরে আইবিবিএলের বিনিয়োগ বেড়েছে ৬৩০০ কোটি টাকা
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » ব্যাংক-বিমা

১ বছরে আইবিবিএলের বিনিয়োগ বেড়েছে ৬৩০০ কোটি টাকা

২০১৫ সালে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের (আইবিবিএল) আমানত বেড়েছে সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা। একই সময়ে ব্যাংকের বিনিয়োগ বেড়েছে ৬ হাজার ৩০০ কোটি টাকা।

রাজধানীর একটি হোটেলে ২ দিনব্যাপী ব্যাংকের ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গতকাল শুক্রবার এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মুস্তাফা আনোয়ার। বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. ইসকান্দার আলী খান।

সম্মেলনে জানানো হয়েছে, ২০১৫ সালের শুরুতে ব্যাংকের আমানতের পরিমাণ ছিল ৫৬ হাজার ৭০ কোটি। বছর শেষে এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬১ হাজার ৫৭৮ কোটি। একইসঙ্গে বছরের ব্যবধানে বিনিয়োগের পরিমাণ ৫৯ হাজার ৪৯২ কোটি থেকে বেড়ে ৬৫ হাজার ৮০০ কোটি টাকা হয়েছে। এছাড়া ব্যাংকের মাধ্যমে আমদানি ও রপ্তানি বাণিজ্য হয়েছে যথাক্রমে ৩৪ হাজার ৩৬৬ কোটি ও ২২ হাজার ৪২৪ কোটি টাকা। একই সময়ে রেমিটেন্স আহরণ হয়েছে ৩২ হাজার ১০৭ কোটি টাকা।

ইঞ্জিনিয়ার মুস্তাফা আনোয়ার বলেন, শরী‘আহর উদ্দেশ্যের আলোকে অধিক সংখ্যক মানুষকে আর্থিক সেবায় অন্তর্ভূক্তির মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজ করছে ইসলামী ব্যাংক। এসএমই খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে বিনিয়োগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে এ ব্যাংক দেশের শিল্পায়ন, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, অবকাঠামো, আবাসন, যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নারীর ক্ষমতায়ন ও ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।

২০১৫ সালের শুরুতে ব্যাংকের আমানতের পরিমাণ ছিল ৫৬ হাজার ৭০ কোটি। বছর শেষে এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬১ হাজার ৫৭৮ কোটি। একইসঙ্গে বছরের ব্যবধানে বিনিয়োগের পরিমাণ ৫৯ হাজার ৪৯২ কোটি থেকে বেড়ে ৬৫ হাজার ৮০০ কোটি টাকা হয়েছে। এছাড়া ব্যাংকের মাধ্যমে আমদানি ও রপ্তানি বাণিজ্য হয়েছে যথাক্রমে ৩৪ হাজার ৩৬৬ কোটি ও ২২ হাজার ৪২৪ কোটি টাকা। একই সময়ে রেমিটেন্স আহরণ হয়েছে ৩২ হাজার ১০৭ কোটি টাকা।

তিনি বলেন, লাভ বা লোভের উদ্দেশ্যে নয়; বরং মানুষকে সুদের অভিশাপ থেকে মুক্ত করে একটি কল্যানমূখী আর্থিক ব্যবস্থা গঠনের লক্ষ্যে ইসলামী ব্যাংকের যাত্রা শুরু হয়েছে। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আর্ন্তজাতিক পরিমণ্ডলেও সমাদৃত আইবিবিএল।

প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক ও বিশ্বমানের ব্যাংকিং সেবা প্রদানের মাধ্যমে দেশের মানুষের কল্যাণে আরও বেশি অবদান রাখতে ব্যাংকের নির্বাহী ও শাখা ব্যবস্থাপকদের প্রতি আহবান জানান তিনি।

ইঞ্জিনিয়ার মো. ইসকান্দার আলী খান বলেন, ইসলামী ব্যাংক দেশের সেরা বাণিজ্যিক ব্যাংক হওয়ার পাশাপাশি বিশ্বের অন্যতম সেরা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। প্রযুক্তিগত উত্কর্ষতা অর্জন, আন্তর্জাতিক মানের সেবা প্রদান এবং অধিক গ্রাহক বিশ্বস্ততা অর্জনের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকের অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে হবে।

মোহাম্মদ আবদুল মান্নান বলেন, ব্যাংকিং কার্যক্রমে শরী‘আহর মাকাসিদ বা উদ্দেশ্যগত সংস্কৃতির বিকাশে কাজ করছে ইসলামী ব্যাংক। এর মাধ্যমে সত্যিকার অর্থেই কোটি গ্রাহকের কল্যাণ সাধিত হচ্ছে। ২০১৫ সালে আমানত, বিনিয়োগ, বৈদেশিক বাণিজ্য বৃদ্ধিসহ ব্যবসায়িক সব প্যারামিটারে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে এ ব্যাংক।

শতভাগ শরী’আহ পরিপালন, পেশাগত দক্ষতা ও সামর্থ বৃদ্ধির মাধ্যমে ব্যাংকিং সেবা বিস্তৃত করার উপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

এছাড়া ব্যাংকের পরিচালক মো. আবুল হোসেন, শরী’আহ সুপারভাইজার কমিটির সদস্য সচিব প্রফেসর আবু বকর রফীক, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ আবুল বাশার, মো. হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া এফসিএ, মো. মাহবুব-উল-আলম, রফি আহমেদ বেগ, আব্দুস সাদেক ভুইয়া ও মো. শামসুজ্জামানসহ ঊর্দ্ধতন নির্বাহী; ১৪টি জোনের প্রধান এবং ৩০৪ জন শাখা ব্যবস্থাপক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

এই বিভাগের আরো সংবাদ