পরিবেশ মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ে পুলিশি বাধার মুখে বাম মোর্চা
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » লিড নিউজ
রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্প বাতিলের দাবি

পরিবেশ মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ে পুলিশি বাধার মুখে বাম মোর্চা

পুলিশি বাধার মুখে পড়েছে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্প বাতিলের দাবিতে গণতান্ত্রিক বাম মোর্চার পরিবেশ মন্ত্রণালয় ঘেরাও কর্মসূচি। আজ বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সচিবালয়ে ৫ নম্বর গেটের সামনে ওই সংগঠনের নেতাকর্মীদের বাধা দেয় পুলিশ।

জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে মন্ত্রণালয়ের দিকে যাওয়ার পথে বাম মোর্চার কর্মসূচিতে পুলিশ বাধা দিলে সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে। বাধার মুখে রাস্তায় অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশও করে বাম মোর্চার কর্মীরা।

Bam Morcha2

জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে মন্ত্রণালয়ের দিকে যাওয়ার পথে আজ বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সচিবালয়ে ৫ নম্বর গেটের সামনে গণতান্ত্রিক বাম মোর্চার নেতাকর্মীদের বাধা দেয় পুলিশ। ছবি: মহুবার রহমান

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী বুধবার দুপুরে সাড়ে ১১টার দিকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ শেষে পরিবেশ মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে গণতান্ত্রিক বাম মোর্চার নেতাকর্মীরা। তাদের র‌্যালি সচিবালয়ের ৫ নম্বর গেট সংলগ্ন রাস্তায় পৌঁছালে সেখানে তাদের বাধা দেয় পুলিশ। এসময় নেতাকর্মীরা পুলিশি ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে কর্মীদের ধস্তাধস্তি হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় পুলিশ।

গণতান্ত্রিক বাম মোর্চার সাবেক সমন্বয়ক মোশরেফা মিশু বলেন, এই কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ভারতে করার কথা ছিল। কিন্তু ভারতে অনুমতি দেওয়া হয়নি। এরপর ঐ ভারতীয় কোম্পানি কীভাবে বাংলাদেশে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের অনুমতি পায়?

তিনি বলেন, সুন্দরবনে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র করার অনুমতি চাইলে, আমরা ভেবেছিলাম পরিবেশ মন্ত্রণালয় ছাড় দিবে না। কিন্তু রামপালে এই কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র হলে পরিবেশ ও কৃষিজমি ধ্বংস হবে জেনেও দেশবাসীকে অবাক করে ছাড়পত্র দেওয়া হলো।

বাম মোর্চার সাবেক সমন্বয়ক মোশরেফা মিশু বলেন, এই কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ভারতে করার কথা ছিল। কিন্তু ভারতে অনুমতি দেওয়া হয়নি। এরপর ঐ ভারতীয় কোম্পানি কীভাবে বাংলাদেশে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের অনুমতি পায়?

মোশরেফা মিশু বলেন, পৃথিবীর ঐতিহ্যের একটি অংশ সুন্দরবন। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলকে রক্ষা করছে ওই বনাঞ্চল। কিন্তু এই সুন্দরবনকে ধ্বংস করার পায়তারা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সুন্দরবনের এই ঐতিহ্য রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদের সবার। এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের সকলের সোচ্চার হতে হবে। রক্ত দিব, জীবন দিব, কিন্তু সুন্দরবন ধ্বংস হতে দেব না।

এসময় আরও বক্তব্য দেন বাম মোর্চার সমন্বয়ক আব্দুস সাত্তার বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের নেতা শুভ্রাংশু চক্রবর্তী, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের আহ্বায়ক কমরেড হামিদুল হক প্রমুখ।

এই বিভাগের আরো সংবাদ