এক সপ্তাহে তেলের দরপতন ১০%, কমতে পারে আরও
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » আন্তর্জাতিক

এক সপ্তাহে তেলের দরপতন ১০%, কমতে পারে আরও

টানা ৫ দিনের মতো আন্তর্জাতিক বাজারে কমেছে তেলের দর। সবমিলে সপ্তাহে ১০ শতাংশ দর হারিয়েছে এই বাজার। মার্কিন ব্যাংক গোল্ডম্যান স্যাকসের আশঙ্কা, তেলের আরও দরপতন হতে পারে।

রয়টার্সের এক খবরে বলা হচ্ছে, গতকাল শুক্রবার আগামীতে ডেলিভারি হতে যাওয়া অপরিশোধিত ব্রেন্ট ও ক্রুড শ্রেণির তেলের বাজার দরপতনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে। মার্কিন পুঁজিবাজার এদিন লেনদেনের শুরুতে কিছুটা দুর্বল হওয়ার পর আরও দরপতন হয় পণ্যটির।

চীনের পুঁজিবাজারে ধসের আনাগোনা বিশ্ব পুঁজিবাজারকে ধাক্কা দেওয়ার পর গেল সপ্তাহে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রায় ১২ বছরের মধ্য সর্বনিম্ন দামে বিক্রি হয়েছে তেল।

এদিকে চীনের পুঁজিবাজারে ধসের আনাগোনা বিশ্ব পুঁজিবাজারকে ধাক্কা দেওয়ার পর গেল সপ্তাহে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রায় ১২ বছরের মধ্য সর্বনিম্ন দামে বিক্রি হয়েছে তেল।

দেড় বছর আগে শুরু হয়েছে তেলের দরপতন। ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার থেকে দাম কমতে কমতে কোন পর্যায়ে ঠেকতে পারে- তা নিয়ে উদ্বেগে ছিলেন বিনিয়োগকারীরা। সর্বশেষ আন্তর্জাতিক বাজারে এই দর যে ৩০ ডলারের কোটাও ভাঙতে যাচ্ছে- সে অভিজ্ঞতাও নিতে যাচ্ছেন তারা।

গোল্ডম্যান স্যাকস শুক্রবার আবারও এক বিবৃতি দিয়ে আশঙ্কা করেছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দরপতন নিয়ে তারা যে পূর্বাভাসের কথা জানিয়েছিল খুব শিগগির তার বাস্তবায়ন দেখতে যাচ্ছে গোটা বিশ্ব। তাদের পূর্বাভাস ছিল, তেলের দর ২০ ডলারে এসে দাঁড়াবে। আর এমনটি হলে বাংলাদেশি মুদ্রায় এক লিটার তেলের দর ৮-১০ টাকা পড়তে পারে।

প্রতিষ্ঠানটির ধারণা ছিল, অব্যাহত দরপতনে তেলের চাহিদা ও সরবরাহে ভারসাম্যে আসতে পারে বিশ্ব বাজার। কিন্তু তা আর পূরণ হয়নি। ওপেকের বৈঠকেও এ ধরনের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বরং কিভাবে তেলের উৎপাদন বাড়ানো যায়- তা নিয়ে চিন্তায় আছে এর উৎপাদক দেশগুলো।

খবরে বলা হয়, বছরের প্রথম সপ্তাহে দরপতন দিয়ে শুরু হয় এ বাজার। গত বৃহস্পতিবার ব্রেন্ট শ্রেণির তেল ব্যারেলে ২০ সেন্ট কমে ৩৩.৫৫ ডলারে বিক্রি হয়। একপর্যায়ে তা ৩২.১৬ ডলারে নেমে আসে।

অর্থসূচক/শাহীন

এই বিভাগের আরো সংবাদ