বাংলাদেশ-ভারত নদীসংযোগ চুক্তির প্রথম কিস্তির অর্থছাড়
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » লিড নিউজ

বাংলাদেশ-ভারত নদীসংযোগ চুক্তির প্রথম কিস্তির অর্থছাড়

বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলের মধ্যে নতুন নদীসংযোগ স্থাপন চুক্তির আওতায় প্রথম কিস্তিতে ২ কোটি রুপি বা ২ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ছাড় দিয়েছে ভারত সরকার।

আগরতলা স্থলবন্দরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে দেশের শীর্ষস্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। তিনি জানান, উভয় দেশের জনগণ, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পণ্য এবং ভারি যন্ত্রপাতি পরিবহন যোগাযোগকে আরও সহজতর হবে। নদী পথে যোগাযোগের সুবিধার কথা বিবেচনায় নিয়ে নতুন এই নদীসংযোগের নকশা করা হয়েছে।

এই প্রকল্পের জন্য ১২ কোটি ৫০ লাখ রুপি বা ১৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা অনুমোদন দিয়েছে ত্রিপুরা সরকারের নৌপরিবহন এবং জাহাজ মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে প্রথম কিস্তিতে ২ কোটি রুপি ছাড় দেওয়া হয়েছে।

ত্রিপুরা সরকারের পরিবহন সচিব সমরজিৎ ভৌমিক জানান, বাংলাদেশের মেঘনা নদীর সঙ্গে ভারতের গোমতি এবং হাওড়া নদীর সংযোগ স্থাপনের জন্য একটি প্রস্তাবনা দিয়েছিল ত্রিপুরা। এই প্রকল্পের জন্য ১২ কোটি ৫০ লাখ রুপি বা ১৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা অনুমোদন দিয়েছে ত্রিপুরা সরকারের নৌপরিবহন এবং জাহাজ মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে প্রথম কিস্তিতে ২ কোটি রুপি ছাড় দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, গোমতি, হাওড়া ও মেঘনা নদীর সংযোগ প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে বিশদ প্রতিবেদন ইতোমধ্যে প্রকাশ করেছে ত্রিপুরার রাজ্য সরকার।

ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলের অগ্রগতির জন্য ওই অঞ্চলের সড়ক ও জলপথগুলোর উন্নয়নের মাল্টি-মডেল কানেক্টিভিটি প্রকল্প নিয়েছে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ইতোমধ্যে ওই অঞ্চলের ১৬টি জলপথের উন্নয়ন কাজ সমাপ্ত হয়েছে। এর বেশিরভাগই বাংলাদেশের বিভিন্ন নদীর সঙ্গে সংযুক্ত।

ত্রিপুরার গোমতি ও হাওড়া এবং বাংলাদেশের মেঘনা ও তিতাস নদীর মধ্যে পরিবহনের আন্তঃসংযোগ সৃষ্টিতে প্রাথমিক সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা করছে রেল ইন্ডিয়া টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক সার্ভিসের (আরআইটিইএস)।

প্রসঙ্গত, ১৯৭২ সাল থেকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৪টি জলপথ কর্মক্ষম রয়েছে। সেগুলো হলো- আসামের দক্ষিণাঞ্চলের পান্ডু থেকে বাংলাদেশ হয়ে কলকাতার নদী সংযোগ; আসামের দক্ষিণাঞ্চলের করিমগঞ্জ থেকে বাংলাদেশ হয়ে কলকাতার নদী সংযোগ; বাংলাদেশের রাজশাহীর সঙ্গে ভারতের আসামের ধুলিয়ানের মধ্যে নদী সংযোগ এবং করিমগঞ্জ-পান্ডু-করিমগঞ্জ (বাংলাদেশ হয়ে) নদী সংযোগ। উভয় দেশের বাণিজ্য এবং পানি পরিবহনে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে এই নদীগুলো।

এই বিভাগের আরো সংবাদ