দাদরি হত্যাকাণ্ড: অভিযোগপত্রে গোমাংসের উল্লেখ নেই
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » আন্তর্জাতিক

দাদরি হত্যাকাণ্ড: অভিযোগপত্রে গোমাংসের উল্লেখ নেই

ভারতের উত্তর প্রদেশের দাদরি গ্রামে ফ্রিজে গরুর মাংস রাখা ও খাওয়ার অভিযোগে মোহাম্মদ আখলাককে পিটিয়ে হত্যার তিন মাস পর অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশ। এক নাবালকসহ ১৫ ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। তবে অভিযোগপত্রে গরুর মাংসের উল্লেখ নেই।

গত ২৮ সেপ্টেম্বর বাড়িতে ফ্রিজে গরুর মাংস রাখা ও খাওয়ার অভিযোগে গ্রেটার নয়ডার দাদরিতে স্থানীয়দের গণপিটিনি ও পাথর নিক্ষেপে মারা যান মোহাম্মদ আখলাক। ছবি: এনডিটিভি

গত ২৮ সেপ্টেম্বর বাড়িতে ফ্রিজে গরুর মাংস রাখা ও খাওয়ার অভিযোগে গ্রেটার নয়ডার দাদরিতে স্থানীয়দের গণপিটিনি ও পাথর নিক্ষেপে মারা যান মোহাম্মদ আখলাক। ছবি: এনডিটিভি

অভিযোগপত্রে বলা হয়, ঘটনার দিন আখলাকের বাড়িতে গরু হত্যা করা হয়েছে বলে দাদরি এলাকার এক মন্দিরে ঘোষণা করা হয়। এ খবরে স্থানীয়রা তার বাড়িতে ছুটে যান। গিয়ে তার বাড়ির ফ্রিজে মাংস পান। এরপরই তাকে পিটিয়ে ও পাথর ছুঁড়ে হত্যা করা হয়। কিন্তু ওই মাংস গরুর না ছাগলের ছিল তা নিশ্চিত হতে ফরেনসিক প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করছে পুলিশ।

ওই ঘটনার অন্যতম সাক্ষী আখলাকের মেয়ে সাহিস্তা। দাদরির ডিএসপি অনুরাগ সিং জানিয়েছেন, তার জবানবন্দীর ভিত্তিতে আরও একটি অতিরিক্ত অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে।

পুলিশ বলছে, আখলাকের ফ্রিজে পাওয়া মাংসের ফরেন্সিক প্রতিবেদন আমাদের হাতে এসে এখনও পৌঁছায়নি। ফলে ওই প্রতিবেদন না আসা পর্যন্ত তার ফ্রিজে পাওয়া মাংস গরুর না ছাগলের ছিল তা নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।

এর আগে গঙ্গাজল ও গরুর মূত্র দিয়ে দাদরি গ্রাম বিশুদ্ধ করা হয়।

গত ২৮ সেপ্টেম্বর বাড়িতে ফ্রিজে গরুর মাংস রাখা ও খাওয়ার অভিযোগে গ্রেটার নয়ডার দাদরিতে স্থানীয়দের গণপিটিনি ও পাথর নিক্ষেপে মারা যান ৫২ বছর বয়সী মোহাম্মদ আখলাক। এ ঘটনায় তার ছেলে গুরুতর আহত হন।

এই বিভাগের আরো সংবাদ