‘চট্টগ্রামের যানজট কমাবে আউটার রিং রোড প্রকল্প’
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » চট্টগ্রাম ও বন্দর

‘চট্টগ্রামের যানজট কমাবে আউটার রিং রোড প্রকল্প’

 

চট্টগ্রামের যানজট নিরসনে সিটি আউটার রিং রোড প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এছাড়াও চট্টগ্রামের বৃহৎ এ প্রকল্পটি পর্যটন শিল্পের বিকাশেও অবদান রাখবে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম।

মঙ্গলবার নগরীর হালিশহর এলাকায় রিং রোড প্রকল্পের কাজ পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

সিডিএ চেয়ারম্যান বলেন, চট্টগ্রামে নির্মাণাধীন যেসকল ফ্লাইওভারবাস্তবায়ন হলে শহরের যানজট কমে আসবে। হালিশহর থেকে ফৌজদার হাট পর্যন্ত আউটার রিং রোড প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে শহরের যানজট একেবারেই থাকবে না।

এক হাজার ৭০০ কোটি টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে শহরের যানজট নিরসনের পাশাপাশি স্থানীয় প্রায় ২০ লাখ মানুষসহ নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষা পাবে।

রিং রোডকে সিইপিজেডের সঙ্গে সংযোগ করে ফৌজদার হাট পর্যন্ত বিস্তৃত করা হবে। ইপিজেড ও বন্দরের গাড়ি এ রোড দিয়ে চলাচল করতে পারবে।

প্রকল্পের আওতায় স্থানীয় দুই হাজারের বেশি জেলে পরিবারকে ১ কাঠা করে জমি দেওয়া হবে। আরও ৫ হাজার একর জায়গায় পরিকল্পিত উপশহর গড়ে তোলা হবে।

জানা গেছে, আউটার রিং রোড নির্মাণ প্রকল্পের প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছিল ৮৬৫ কোটি ২৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

পরে দুইবার সংশোধিত ব্যয় ধরার পর এর ব্যয় দাঁড়ায় এক হাজার ৭০০ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ও জাইকা যৌথভাবে এ প্রকল্পের অর্থায়ন করবে।

সড়কটি নির্মাণের জন্য ৯০ দশমিক ৩৬১ একর জমি অধিগ্রহণ করা হবে। সড়কটি হবে তিনটি ভাগে বিভক্ত। এর মধ্যে উপকূল সড়কের দৈর্ঘ্য ১৫ দশমিক ২০ কিলোমিটার ও প্রস্থ ২০ দশমিক ৫ মিটার হতে ২৪ দশমিক ৫ মিটার। এ অংশে সড়কের উচ্চতা বর্তমানের তুলনায় তিন মিটার বাড়ানো হবে।

এ ছাড়া দুই ফিডার সড়কের একটির দৈর্ঘ্য এক দশমিক ২০ কিলোমিটার এবং অপরটির দৈর্ঘ্য হবে দশমিক ৯৫ কিলোমিটার।

চার লেনের এ রোডে থাকবে ১১টি স্লুইসগেট।

আউটার রিং রোড নির্মাণে যৌথভাবে কাজ পায় বাংলাদেশি নির্মাণ প্রতিষ্ঠান স্পেক্ট্রা ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড ও ভারতীয় নির্মাণ প্রতিষ্ঠান কেএনআর লিমিটেড। গত ১৯ মার্চ ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করে সিডিএ।

এই বিভাগের আরো সংবাদ