৩১ ডিসেম্বর থেকে কক্সবাজারে মেগা বিচ কার্নিভ্যাল
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » ভ্রমণ

৩১ ডিসেম্বর থেকে কক্সবাজারে মেগা বিচ কার্নিভ্যাল

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত। ফাইল ছবি

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত। ফাইল ছবি

দেশের পর্যটন শিল্পকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরার লক্ষ্যে পর্যটন নগরী কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতে আগামী ৩১ ডিসেম্বর মেগা বিচ কার্নিভালসহ ৩ দিনব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচী গ্রহন করেছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ সোমবার বলা হয়, পর্যটন বর্ষ ২০১৬  আনুষ্ঠানিক সূচনা পর্বে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যটন নগরী কক্সবাজারে দিনব্যাপী মেগা বিচ কার্নিভ্যাল শুরু হবে।

নগরীর সী বিচে আনুষ্ঠানিকভাবে এ মেগা বিচ কার্নিভ্যালের উদ্বোধন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব খোরশেদ আলম চৌধুরী, পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান ড. অপরূপ চৌধুরী ও বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আক্তারুজ্জামান খান কবির।

গত ১৯ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্য প্রাঙ্গণে এবং কক্সবাজারের লাবণী পয়েন্টের উন্মুক্ত মঞ্চে জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় কার্নিভ্যালের ক্ষণ গণনা।

রাজু ভাস্কর্য প্রাঙ্গণে এ কাউন্ট ডাউনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেছেন, সরকার ২০১৬ সালকে পর্যটন বর্ষ হিসেবে ঘোষণা করেছে। পর্যটন বর্ষে বিপুল আয়োজনের সূচনা হবে কক্সবাজারের মেগা বিচ কার্নিভ্যালের মধ্য দিয়ে। কক্সবাজারকে পুরো পৃথিবীর সামনে তুলে ধরতেই এ আয়োজন।

তিনি বলেন, পর্যটন বাংলাদেশের অমিত সম্ভবনার দুয়ার খুলে দেবে। সেই দুয়ার দিয়ে পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে পর্যটকরা বাংলাদেশে তাদের ঠিকানা খুঁজে নেবে।

বিচ কার্নিভ্যালের আয়োজক বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় ও এর অধীনস্থ সংস্থা বাংলাদেশ ট্যুারিজম বোর্ড (বিটিবি), বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন (বিপিসি) এবং কক্সবাজার জেলা প্রশাসন।

তিনদিন ব্যাপি এ কার্নিভ্যালকে সামনে রেখে পৃথিবীর দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত বর্ণিলভাবে সাজবে। এ আয়োজনে দেশের সেরা শিল্পীদের গান, স্থানীয় ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠির মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক আয়োজন, নৃত্য পরিবেশনা, আতশবাজিসহ নানা আয়োজন থাকবে। পুরো সৈকতকে উৎসবের আবহ তৈরি করা হবে।

মেলাসহ বিভিন্ন অনুষঙ্গের মধ্যে থাকছে রকমরি খাবারের প্রদর্শনী, লোক শিল্পের পরসার, সারা দেশের পর্যটন আকর্ষণীয় স্থানসমূহকে তুলে ধরার আলাদা আয়োজন, ঘুড়ি উৎসব, প্রদর্শনী, বিচ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট, সার্ফিং, বালুর ভাস্কর্য তৈরি, আলোক চিত্র প্রদর্শনীসহ ৬৯ টি ইভেন্ট। সেই সাথে সমুদ্র সৈকতকে পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য সচেতনামূলক বিভিন্ন আয়োজনও থাকছে।

ট্যুার অপারেটর অ্যাসোয়িশন অব কক্সবাজার’র (টোয়াক) সভাপতি রেজাউল করিম বলেন, থার্টি ফার্স্ট নাইট ও বীচ কার্নিভ্যাল উপলক্ষে আগত পর্যটকদের জন্য সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতে টোয়াক সচেষ্ট।

এ উপলক্ষে প্রায় ১০ লাখ পর্যটকের সমাগম ঘটবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

কক্সবাজারের পুলিশ সুপার শ্যামল কুমার নাথ বলেন, আসন্ন থার্টি ফার্স্ট নাইট ও ম্যাগা বিচ কার্নিভ্যাল সামনে রেখে ট্যুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশও প্রস্তুত রয়েছে। ভাটার সময় যেন পর্যটকরা সাগরে নামতে না পারেন সেজন্যে লাইফ গার্ড ও পুলিশকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

দর্শনীয় স্থান ও বিপণি বিতানগুলোতে পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে। এ ছাড়া চুরি, ছিনতাই এবং ইভটিজিং ঠেকাতে সাদা পোশাকে পুলিশ সতর্কাবস্থায় থাকবে।

সূত্র: বাসস

এই বিভাগের আরো সংবাদ