'দেশের সম্পদে কুদৃষ্টি পড়েছে আন্তর্জাতিক চক্রান্তকারীদের'
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » লিড নিউজ

‘দেশের সম্পদে কুদৃষ্টি পড়েছে আন্তর্জাতিক চক্রান্তকারীদের’

শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, দেশের সম্পদের ওপর আন্তর্জাতিক চক্রান্তকারীদের লোলুপ দৃষ্টি পড়েছে।

তিনি বলেন, এজন্য মধ্য প্রাচ্যের মতো বাংলাদেশে দুর্ভোগ ও হানাহানি সৃষ্টি উদ্দেশে জঙ্গিবাদের নামে আইএস আবিষ্কারের ষড়যন্ত্র চলছে। জাতীয় স্বার্থে এ ধরনের ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় তিনি দেশপ্রেমের চেতনায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হবার আহবান জানান।

শিল্পমন্ত্রী আজ রাজধানীর বিসিআইসি মিলনায়তনে “মহান বিজয় দিবস-২০১৫” উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আহবান জানান। শিল্প মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

শিল্পসচিব মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সুষেণ চন্দ্র দাস ও জামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী, বিসিআইসি’র চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইকবাল বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঐতিহাসিক ভাষণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অসহযোগ আন্দোলনের পাশাপাশি গেরিলা যুদ্ধের রূপরেখা ঘোষণা করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের অসাধারণ গুণাবলীর ফলে দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে।

স্বাধীনতা অর্জনের পর অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু যখন দ্বিতীয় বিপ্লবের কর্মসূচিকে এগিয়ে নিচ্ছিলেন, তখনই বাংলাদেশকে নব্য পাকিস্তান বানানোর অসৎ উদ্দেশে তাকে সপরিবারে হত্যা করা হয়।

আমির হোসেন আমু বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্থনীতি দ্রুত সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাচ্ছে। জাতিসংঘ ঘোষিত ছয়টি সূচকে বাংলাদেশ প্রতিবেশি দেশগুলো থেকে অনেক এগিয়ে রয়েছে। বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে এ উন্নয়ন আরও তরান্বিত হতো। বঙ্গবন্ধুর চেতনার আদলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিকে এগিয়ে নেয়ায় বার বার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রাণনাশের অপচেষ্টা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়ার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারি শহীদদের রক্তের ঋণ শোধ করতে হবে। এক্ষেত্রে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কর্মসূচিকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে।

গত সাত বছরে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের কর্মসূচি বাস্তবায়নে বাংলাদেশের যে অগ্রগতি হয়েছে, পৃথিবীর কোনো দেশে এত দ্রুত তা হয়নি উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, তারা দেশে সুশাসন, শান্তি-শৃংখলা প্রতিষ্ঠা ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির চলমান ধারা অব্যাহত রেখে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সাল নাগাদ উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

তথ্যসূত্র: বাসস

এই বিভাগের আরো সংবাদ