'বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণেই কমেছে পাচার'
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » লিড নিউজ

‘বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণেই কমেছে পাচার’

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যদের কঠোর অবস্থানের কারণেই সীমান্তে সব ধরনের পাচার কমেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ রোববার সকালে রাজধানীর পিলখানায় বিজিবির সদর দপ্তরে ‘বিজিবি দিবস-২০১৫’ উদ্বোধন উপলক্ষে দেওয়া বক্তব্যে এ কথা জানান তিনি।

বিজিবি সদস্যদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সীমান্তে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আপনারা পূর্বের চেয়ে অনেক বেশি সফলতা অর্জন করেছেন। সীমান্তে আপনাদের কঠোর অবস্থানের কারণে চোরাচালান, নারী ও শিশু পাচার, মাদকপাচার, সীমান্ত অপরাধ বহুলাংশে হ্রাস পেয়েছে।

বিডিআর বিদ্রোহ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় সংঘটিত বিদ্রোহ-হত্যাকাণ্ড এ বাহিনীর ইতিহাসে একটা কালো অধ্যায়। সে সময় সরকার গঠনের পরপরই বিডিআর বিদ্রোহ হত্যাকাণ্ডের মতো ন্যক্কারজনক ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি আমাকে মোকাবেলা করতে হয়েছিল। আপনাদের সম্মিলিত সহযোগিতায় সেদিনের সংকট কাটিয়ে উঠতে আমরা সক্ষম হয়েছিলাম এবং পরিস্থিতি আমরা নিয়ন্ত্রণে এনেছিলাম। সেদিনের ঘটনায় যারা শাহাদাতবরণ করেছেন, তাদের প্রতি সহমর্মিতা জানাচ্ছি, তাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।

শেখ হাসিনা বলেন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ২২০ বছরের ঐতিহ্যবাহী সীমান্তরক্ষী বাহিনী। গৌরবময় সমৃদ্ধির ইতিহাস রয়েছে এ বাহিনীর। মুক্তিযুদ্ধে আজকের বিজিবি ও তৎকালীন ইপিআরের (ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস) গৌরবময় ভূমিকা প্রশংসনীয়।

মুক্তিযুদ্ধে বিজিবির অবদান প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ বাহিনীর প্রায় সাড়ে ১২ হাজার বাঙালি সদস্য মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছিলেন। এ বাহিনীর দুজন বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ ও শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আবদুর রউফসহ আটজন বীর উত্তম, ৩২ জন বীর বিক্রম, ৭৭ জন বীর প্রতীক মুক্তিযুদ্ধে বীরত্ব প্রদর্শন করে মুক্তিযুদ্ধের সম্মাননা পেয়েছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের আগে বিজিবি সদস্যরা বিশেষ কুচকাওয়াজে অংশ নেন। সে সময় প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও বিজিবি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: বাসস

এই বিভাগের আরো সংবাদ