পার্বত্য ভূমি কমিশনের সংশোধিত আইন আগামী অধিবেশনে
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » লিড নিউজ

পার্বত্য ভূমি কমিশনের সংশোধিত আইন আগামী অধিবেশনে

পার্বত্য শান্তি চুক্তির গুরত্বপূর্ণ অংশ ভূমি কমিশনের সংশোধিত আইন আগামী সংসদীয় অধিবেশনে উত্থাপিত হবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন।

তিনি আজ বান্দরবানে ১৩৮ তম রাজপূণ্যাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, পঞ্চদশ সংশোধনীতে আদিবাসীদের অধিকার সংরক্ষণে সাংবিধানিক অধিকার দেওয়া হয়েছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, পার্বত্য শান্তি চুক্তি বর্তমান সরকার ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করছে। কিন্তু চুক্তির মৌলিক ধারাগুলো এখনও বাস্তবায়িত হয়নি।

তিনি জানান, চুক্তির গুরত্বপূর্ণ অংশ ভূমি কমিশনের সংশোধিত আইন আগামী সংসদীয় অধিবেশনে উত্থাপিত হবে।

উল্লেখ, শুক্রবার সকাল ১১টায় পুরাতন রাজবাড়ী মাঠে এই রাজস্ব আদায় অনুষ্ঠান উদ্ধোধন ঘোষণা করেন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন এমপি।

এ সময় বিশেষ অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি। তিনি বলেন, প্রজারা আইনের বাধ্যবাধকতা ছাড়া প্রথাগত নিয়মে স্বত:র্স্ফুত হয়ে রাজস্ব দেওয়া দেশের একটি ভালো উদাহরণ।

পাহাড়ে উন্নয়নের জন্য পার্বত্য মন্ত্রণালয় বিভিন্ন অবকাঠামো তৈরির পাশাপাশি সব দুর্গম এলাকাকে বিদ্যুতের আওতায় নিয়ে আসা হবে বলে জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা মারমা, আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য সাধুরাম ত্রিপুরা মিল্টন ও ব্রিগেড কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নকিব আহমেদ চৌধুরী।

এর আগে সকালে নিজ বাস ভবন থেকে সৈন্য-সমান্ত নিয়ে মাঠে প্রবেশ করেন ১৭তম বোমাং রাজা প্রকৌশলী উচপ্রু চৌধুরী। পার্বত্য বান্দরবানে প্রথাগত নিয়মে বছর শেষে প্রজাদের কাছ থেকে রাজস্ব আদায় অনুষ্ঠানকে বলা হয় রাজপূণ্যাহ। ব্রিটিশ আমল থেকে প্রায় এক’শ চল্লিশ বছর আগে এই রাজস্ব আদায় অনুষ্ঠান প্রচলন হয়। এতে জুমচাষী পরিবার প্রতি জুম রাজস্ব বাবদ ৬ টাকা ৭৫ পয়সা করে কার্বারী (গ্রাম প্রধান) ও হেডম্যানের (মৌজা প্রধান) মাধ্যমে রাজা সরাসরি রাজস্ব আদায় করেন। তাছাড়া রাজাকে বিভিন্ন উপঢৌকন উপহার দেন প্রজারা।

 

অনুষ্ঠানে প্রজাদের উদ্দেশ্যে বোমাং রাজা বলেন, রাজপূণ্যা শুধু রাজস্ব আদায় নয়। এটি আদিবাসী-বাঙালিদের একটি মিলন মেলা অনুষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

এই বিভাগের আরো সংবাদ