শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা বানাতে দরকার ইনভেস্টমেন্ট ক্লাব
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » পুঁজিবাজার

শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা বানাতে দরকার ইনভেস্টমেন্ট ক্লাব

দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইনভেস্টমেন্ট ক্লাব গড়ে তোলার উপর গুরুত্বারোপ করেছেন গ্রীন ডেল্টা সিকিউরিটিজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াফি এস.এম. খান।

আজ রাজধানীর কাকরাইলে ‘বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট এক্সপো-২০১৫’ এর তৃতীয় দিনে ‘পুজিবাজারে ক্যারিয়ার: সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে এ কথা বলেন তিনি।Wafi-SM-Khan

ওয়াফি এস.এম. খান বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইনভেস্টমেন্ট ক্লাব গড়ে তুললে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হবে। এতে পাস করা শিক্ষার্থীরা বাজারে বিনিয়োগের সাহস পাবে।

দেশের কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইনভেস্টমেন্ট ক্লাব নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের বেশিরভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ডিবেটিং ক্লাব, স্পোর্টস ক্লাব, মিউজিক ক্লারে মতো নানা ক্লাব আছে। যা ওইসব খাতে দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে ভূমিকা রাখে। কিন্তু আফসোসের বিষয়, দেশের কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইনভেস্টমেন্ট ক্লাব না থাকায় সাহসী বিনিয়োগকারী তৈরি হচ্ছে না।

গ্রীন ডেল্টা সিকিউরিটিজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ইনভেস্টমেন্ট ক্লাব থাকলে সেখান থেকে নতুন উদ্যোক্তা বেড়িয়ে আসবে। পাস করার পর শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বল্প পুঁজিতে বিনিয়োগের ঝুঁকি নেওয়ার প্রবণতা তৈরি হবে।

ইনভেস্টমেন্ট ক্লাব থেকে পুঁজিবাজারে সফল বিনিয়োগকারী হওয়ার জন্য প্রাথমিক ধারণা, জ্ঞান ও চ্যালেঞ্জ নিতে পারার সক্ষমতা তৈরি হবে বলেও মনে করেন তিনি।

সেমিনারের অপর বক্তা মো. সাইফুদ্দীন বলেন, মানি ইনভেস্টে বড় ভূমিকা পালন করে পুঁজিবাজার। প্রচলিত ক্যারিয়ারের চিন্তার বাইরে নিজস্ব উদ্যোগ নেওয়ার চিন্তা করতে হবে।

পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করার আগে আগ্রহীদের বাজার সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক লেখাপড়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

প্রসঙ্গত, রাজধানী ঢাকায় প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট এক্সপোর আয়োজন করেছে দেশের প্রথম বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসূচক।

এক্সপোতে পুঁজিবাজারের প্রায় সব ধরনের স্টেকহোল্ডারের প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। এতে ব্রোকারহাউজ, মার্চেন্ট ব্যাংক, অ্যাসেটম্যানেজমেন্ট কোম্পানি, ক্রেডিটরেটিং এজেন্সি, অডিটফার্ম এবং তালিকাভুক্ত কোম্পানিসহ বিভিন্ন স্টেক হোল্ডার অংশ নিয়েছে।

এবারের এক্সপোতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৬৫টি স্টল রয়েছে। এসব স্টলে কোম্পানিগুলো তাদের প্রোডাক্ট ও সেবা প্রদর্শন করছে।

এক্সপোতে একটি স্টলে কোম্পানি আইন, ব্যাংক কোম্পানি আইন, সিকিউরিটিজ আইন, শেয়ারবাজার ও অর্থনীতি সংক্রান্তবইয়ের সমাবেশ রয়েছে। জ্ঞানের পরিধি বাড়ানো ও বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নির্ভুল করার জন্য কার্যকরী হতে পারে এসব বই।

এক্সপোতে অর্থনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ, ব্রোকার, মার্চেন্ট ব্যাংকারসহ পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন সেমিনারে অংশ নিচ্ছেন।

এক্সপোর দর্শনার্থীদের জন্য র‌্যাফেল ড্রর আয়োজন করা হচ্ছে। এতে প্রতিদিনই ঢাকা-কুয়ালালামপুর-ঢাকা, ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা রুটের বিমান টিকেট (প্রতিদিন ঊভয় রুটে একটি করে), ল্যাপটপ (প্রতিদিন ১টি), স্মার্ট ফোনসহ (প্রতিদিন ৫টি করে) আকর্ষণীয় অনেক পুরস্কার থাকবে।

বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট এক্সপো ২০১৫ এর সহযোগী হিসেবে রয়েছে ডিএসই ব্রোকারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ), বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকারস অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ), বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ক্যাপিটাল মার্কেট (বিআইসিএম), দ্য ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড একাউন্টেন্ট অব বাংলাদেশ (আইসিএবি), দ্য ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্টেন্ট বাংলাদেশ (আইসিএমএবি), ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড সেক্রটারিজ অব বাংলাদেশ (আইসিএসবি)।

এক্সপোতে টেলিভিশন পার্টনার হিসেবে একুশে টেলিভিশন (ইটিভি), নিউজপেপার পার্টনার হিসেবে সমকাল ও ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস, রেডিও পার্টনার হিসেবে ঢাকা এফএম, পিআর পার্টনার হিসেবে ইমপেক্ট পিআর, ইভেন্ট পার্টনার হিসেবে মেকার এক্সপো, নেটওয়ার্ক পার্টনার হিসেবে থাকছে আম্বার আইটি, আইটি পার্টনার হিসেবে থাকছে গ্লোবাল ব্র্যান্ড।

এই বিভাগের আরো সংবাদ