পাট রপ্তানি বাড়লেও অর্জিত হয়নি লক্ষ্যমাত্রা
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » লিড নিউজ

পাট রপ্তানি বাড়লেও অর্জিত হয়নি লক্ষ্যমাত্রা

পাট ও পাটজাত দ্রব্য রপ্তানি করে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রথম ৫ মাসে ৩৫ কোটি ৮৬ লাখ মার্কিন ডলার আয় হয়েছে; যা এই সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ দশমিক ৫০ শতাংশ কম। অন্যদিকে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এটি ২ দশমিক ৮৬ শতাংশ বেশি।

পাটের বস্তা তৈরি। ছবি সংগৃহীত

পাটের বস্তা তৈরি। ছবি সংগৃহীত

বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে পাট ও পাটজাত দ্রব্য রপ্তানি করে আয় হয়েছে ৮৬ কোটি ৮৫ লাখ মার্কিন ডলার। চলতি ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এই খাতে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৪ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার। ২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রথম ৫ মাসে পাট ও পাটজাত রপ্তানি খাতে আয় হয়েছিল ৩৪ কোটি ৮৬ লাখ মার্কিন ডলার। চলতি অর্থবছরের একই সময়ে এই খাতে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৬ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার।

২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রথম ৫ মাসে কাঁচা পাট রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৭ কোটি ৩৬ লাখ মার্কিন ডলার। এই সময়ে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার। অর্থাৎ চলতি অর্থবছরের প্রথম ৫ মাসে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৭০ দশমিক ৯৫ শতাংশ বেশি কাঁচা পাট রপ্তানি হয়েছে। একইসঙ্গে এই খাতে গত অর্থবছরের চেয়ে ৭০ দশমিক ৩৫ শতাংশ বেশি বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়েছে।

আলোচ্য সময়ে পাটের সুতো ও কুণ্ডলী রপ্তানি করে আয় হয়েছে ২০ কোটি ৬১ লাখ মার্কিন ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৯ দশমিক ১০ শতাংশ কম। গত অর্থবছরের তুলনায় এই খাতে বৈদেশিক মুদ্রা আয় ২ দশমিক ৭০ শতাংশ কমেছে।

পাটের বস্তা ও ব্যাগ রপ্তানি করে চলতি অর্থবছরের প্রথম ৫ মাসে আয় হয়েছে ৫ কোটি ৩ লাখ মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৩ দশমিক ০১ শতাংশ কম। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই খাতে আয় হয়েছিল ৬ কোটি ৮৪ লাখ মার্কিন ডলার।

২০১৫-১৬ অর্থবছরে পাটের অন্যান্য দ্রব্য রপ্তানিতে আয় হয়েছে ২ কোটি ৮৪ লাখ ৯০ মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ দশমিক ১৮ শতাংশ কম। তবে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এই খাতের আয় ১৩ দশমিক ৫৫ শতাংশ বেড়েছে।

অর্থসূচক/ইমাদ

এই বিভাগের আরো সংবাদ