‘যানজটে ব্যাহত হয় প্রবৃদ্ধির হার’
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » জাতীয়

‘যানজটে ব্যাহত হয় প্রবৃদ্ধির হার’

যানজটের কারণে সম্ভাব্য জিডিপির পরিমাণ প্রকৃত জিডিপির চেয়ে কম হয় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ অর্থনীতি শিক্ষক সমিতির সহ-সভাপতি ড. মো. রেজাউল করিম।

সম্প্রতি বাংলাদেশ অর্থনীতি শিক্ষক সমিতি কর্তৃক আয়োজিত ‘নগর উন্নয়ন ও পরিবেশ’ শীর্ষক গোল টেবিল আলোচনা সভায় তিনি এমন মন্তব্য করেন। economic comittee

রিপোটার্স ইউনিটি মিলনায়তনে এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি প্রফেসর সরদার সৈয়দ আহমদ। সভায় নির্ধারিত আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা স্কুল অব ইকনোমিকস গভার্নিং কাউন্সিল এর চেয়ারম্যান, ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমেদ, নর্থ সাউথ ইউনির্ভাসিটির পরিবেশ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. এ.টি.এম নূরুল আমিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. নূরুল ইসলাম নাজেম, অধ্যাপক ড. হাফিজা খাতুন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আকরাম মল্লিক, ঢাকা স্কুল অব ইকনোমিকস এর অধ্যাপক ড. এ.কে.এম নজরুল ইসলাম, নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. এ জেড এম তৌফিক, ঢাকা ওয়াসার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ড. এম এ মান্নান।

সমিতির সহ-সভাপতি ড. মো. রেজাউল করিম আলোচনা সভার সঞ্চালকের ভূমিকায় সমিতির কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন এবং মহানগরীর অন্যতম সমস্যা যানজটের সমস্যার উপরে আলোকপাত করেন। তিনি বলেন- যানজটের কারণে সম্ভাব্য জিডিপির পরিমাণ প্রকৃত জিডিপির চেয়ে কম হয়। এতে প্রবৃদ্ধির হার অনেক কম হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. জহিরুল ইসলাম সিকদার বলেন, সুনাগরিকের গুণাবলীর অভাবের কারণে নগরের ভূমি, ফুটপাত ও রাস্তা যথেচ্ছা ব্যবহার হচ্ছে। নগরে আগত লোকজনের নগর কেন্দ্রে বসবাসের জন্য আইন ও নিয়মকানুন না জানার কারণে নগর ক্রমেই দূষিত ও পরিবেশ বিপন্ন হতে থাকে।

তিনি বলেন, জনসচেতনতা, দায়িত্ববোধ, দেশপ্রেম ছাড়া সুষ্ঠু পরিবেশ রক্ষা করা সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। নগরে বসবাস সম্পর্কে সকল নগরবাসীর মধ্যে জ্ঞান সঞ্চালন হলে নগরের উন্নয়ন ও পরিবেশ এর পরিবর্তন আসতে পারে। তিনি মহানগরীর জনস্রোত হ্রাসের জন্যে নগর আইডি কার্ড চালু করা এবং নগর কর ধার্য্যের ক্ষেত্রে অধিকতর সমতার নীতির কথা উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নগর খাতের গুরুত্বের কথা তুলে ধরে সমিতির সভাপতি অধ্যাপক সরদার সৈয়দ আহমেদ বলেন, জিডিপিতে ১৯৭২ সালে কৃষির অবদান ছিল ৬০%, বর্তমানে ১৬% এ হ্রাস পেয়েছে। অন্যদিকে শিল্প ও সেবা খাতর অবদান বৃদ্ধির কারণে জিডিপিতে নগর খাতের অবদান ৬০-৬৫% শতাংশে দাঁড়িয়েছে। জিডিপিতে ঢাকা নগরীর অবদান বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ৪০ শতাংশ হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রাকৃতিক দূযোর্গ ও বেকারত্ব এবং পল্লী অর্থনীতির কাঙ্খিত উন্নয়ন না হওয়ার কারণে ব্যাপকভাবে জনসংখ্যা নগরে মাইগ্রেটেড হচ্ছে। শহরের জনসংখ্যা বৃদ্ধি মিশ্র জটিল উৎপাদন। নগরায়ন একদিকে অনেক সুযোগ সৃষ্টি করেছে আবার অনেক সমস্যারও সৃষ্টি করেছে। আমাদেরকে অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। অতিরিক্ত জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে আবাসিক সমস্যা প্রকট আকারে ধারণ করেছে।

বর্তমানে শহর সমূহে ১১ মিলিয়ন বাস গৃহের ঘাটতি রয়েছে। ঢাকা নগরীতে প্রতি বছর ৬৫,০০০ হাজার নতুন বাসগৃহের প্রয়োজন এবং এ জন্য ৪ বর্গ কিলোমিটার জমির প্রয়োজন। ঢাকা মহানগরীর ৪০ শতাংশ লোক বস্তি কিংবা বস্তি সদৃশ্য অস্বাস্থ্যকর গৃহে বসবাস করতে বাধ্য হচ্ছে। ভূমি স্বল্পতার কারণে জমির মূল্য লন্ডন ও নিউ ইয়র্ক শহরের মতো হয়েছে। গরীবদের পক্ষে জমি ক্রয় করা এবং বাসস্থান নির্মাণ করা সামর্থ্যহীনতার কারণে সম্ভব হচ্ছে না। নগর উন্নয়নের প্রধান লক্ষ্যই হলো পরিবেশ সম্মত ও মান সম্পন্ন আবাসিক এলাকা গড়ে তোলা। তিনি মনে করেন নগর উন্নয়ন কেবল ধনিক শ্রেণির জন্য নয় বরং গরিবদেরও নগরের বসবাসের সম-সুযোগ সৃষ্টি করা নগর উন্নয়নের অন্যতম উদ্দেশ্য।

তিনি বলেন, বড় বড় গগণ চুম্বি ভবন নির্মাণ ও সোডিয়াম বাতি দিয়ে নগর উন্নয়ন হয় না। নগর উন্নয়নের জন্য বস্তিতে বসবাসকারী লোকদের নিয়ে ভাবতে হবে। তিনি বস্তি বাসীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়াতে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন ১৯৭২ সালে ঢাকা মহানগরীতে বস্তি বাসীর সংখ্যা ছিল ২ লক্ষ ৭৫ হাজার যা ২০০৫ সালে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়ায় প্রায় ৩৪ লক্ষ। ২০০৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত এ সংখ্যা হয়তো দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০০৮ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত সিডর ও আইলার কারণে দক্ষিণ অঞ্চল থেকে ৫৭ লক্ষ লোক বিভিন্ন শহরে আশ্রয় নিয়েছে এবং এদের অধিকাংশই ঢাকাতে এসেছে।

অনুষ্ঠানে পরিবেশ বিশেষজ্ঞ খ্যতনামা অথীনীতিবিদ ঢাকা স্কুল অব ইকনোমিকস এর গভার্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ বলেন, নগর ও গ্রাম উভয়ের একসাথে উন্নয়ন হওয়া দরকার। উন্নয়নের জন্য দাতা সংস্থাদের পরামর্শ পর্যালোচনা না করে গ্রহণ করলে সমস্যা হয়। জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য মাত্রা অনুযায়ী দেশে টেকসই উন্নয়ন করতে হলে পরিবেশ সম্মত নগরায়নের উপর গুরুত্ব দিতে হবে। শহর নগরের খাল, পুকুর দখলদারদের কাছ থেকে উদ্ধার করার উপরে গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি মনে করেন বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয়হীনতা কারণে মাঠ, পুকুর, খাল দখল মুক্ত করা যায় না। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে মানুষ শহরে আসে এবং শহরের মৌলিক চাহিদার উপর প্রভাব ফেলে। পরিবেশ ভালো রাখার জন্য ড্রেনের পানি স্বাভাবিক গতিতে চলতে দিতে হবে। বস্তির সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস, যানবাহন, যোগাযোগ এর উপর চাপ বেড়ে গেছে। এসব সমস্যা থেকে পরিত্রাণের জন্য পরিকল্পিত নগর গড়ে তুলতে হবে। ড. খলিকুজ্জামান আরো বলেন, যেখানকার মানুষ সেখানকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশুনা করলে যানযট কমবে। কারণ নগরের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ ভালো প্রতিষ্ঠানের কাছে গাড়ি ও অন্যান্য বাহন নিয়ে ছোটাছুটি করলে যানযট বৃদ্ধি পায়। এসব সমস্যা সমাধানে সামাজিক মূল্যবোধ জাগিয়ে তুলতে হবে। তিনি আরো বলেন সমাজে যারা দখলদার তারাই ধনী। নগরে সবার মান মর্যাদা নিয়ে বাঁচার সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। নগরের মানুষের চিন্তা চেতনায় পরিবর্তন আনয়ন করতে হবে। সুন্দর বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলতে হলে নাগরিকদের মধ্যে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে হবে।

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. নূরুল আমিন বলেন, কানাডা, অষ্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ডের তুলনায় ঢাকা মহানগরীর পরিবেশ খারাপ। এখানে প্রায় দম বন্দ হওয়ার মত পরিস্থিতি। রাস্তায় পরিবেশ ও নিরাপত্তা নেই। যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারি সেবা দ্রব্য অপ্রতুল। চিত্তবিনোদনের জন্য মুক্ত জায়গা নেই, গনপরিবহন অপ্রতুল। মহানগরীর পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস, ফুটপাত, পরিবহন, রাস্তাঘাট, সর্বত্র সমস্যা বিদ্যমান। এ বিষয়ে অর্থনীতি বিদদের সহযোগিতায় পরিকল্পনা গ্রহণ করলে নগর উন্নয়ন ও পরিবেশ সুরক্ষা করা সম্ভব। তিনি নগর অর্থনীত ও পরিবেশ অর্থনীতি পাঠ্য বিষয় হিসাবে বাধ্যতামূলক করার আহবান জানান। তিনি মনে করেন গনপরিবহন তুলনামূলকভাবে খুবই কম, যার কারণে প্রাইভেট গাড়ি বেড়ে গেছে। প্রাইভেট গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি যানযট সৃষ্টির একটি কারণ বলে তিনি উল্লেখ করেন। গরিব মানুষেরা যেখানে সেখানে মলমূত্র ত্যাগ করায় পরিবেশ দৃষিত হচ্ছে। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে উদ্যোগ গ্রহণের আহবান জানান।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. নরুল ইসলাম নাজেম মনে করেন, নগরায়ন হচ্ছে একটা জটিল প্রক্রিয়া। তিনি বলেন আমাদের দেশে নগরসমূহে অর্থনৈতিক ঘনত্বঅনেক বেশি এবং এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে। এখানে রাষ্ট্র ও নাগরিক উভয়কে একযোগে কাজ করতে হবে। তিনি সম্পদ বন্টনে গরিবদের অংশ বৃদ্ধির পদক্ষেপ নেওয়ার আহবান জানান এবং এজন্যে আবাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ইত্যাদি মৌলিক অধিকার সুনিশ্চিত করার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। উন্নয়নে মানবিক দৃষ্টি ভঙ্গি প্রসারিত করা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন। তিনি আরো মনে করেন উন্নয়নের জন্য শহরের পাশাপাশি গ্রামেও বিনিয়োগ বাড়ালে গ্রাম থেকে শহরে মানুষের ঢল কমবে।

তিনি বলেন, গ্রাম থেকে একজন নাগরিক নগরে এসে পেশার পরিবর্তন করলেও আচরণ পরিবর্তন হয় না। তিনি বলেন আমাদের দেশে আইনের প্রয়োগ কম থাকার কারণে পরিবেশ সংরক্ষন করা যাচ্ছে না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. হাফিজা খাতুন তার বক্তৃতায় বলেন- নগরকে কেন্দ্র করেই সভ্যতা গড়ে উঠেছে। নগরায়ন ও পরিবেশ অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িত। নগর উন্নয়নে সমাজ ও কমিনিউটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। অতিতে জলাশয়, পুকুর ও সামাজিক সম্পত্তি রক্ষার্থে পঞ্চায়েত ব্যবস্থা, সামাজিক যোগাযোগ ও বন্ধন বেশ জোড়ালো ভূমিকা পালন করত অর্থাৎ আগে কমিউনিটি সার্ভিসের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষিত হতো, বর্তমানে সমাজ এক্ষেত্রে কোন ভূমিকা পালন করে না। নগর উন্নয়নে সমাজ সম্পৃক্ত থাকলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষিত হবে। তিনি উদাহরণ দিয়ে পুরান ঢাকায় পুকুর রক্ষার্থে কমিউিনিটির ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন। তিনি আরো বলেন কমিউনিটির ভূমিকা সক্রিয় থাকলে সমাজে অপরাধ হ্রাস পায়। তিনি জোড় দিয়ে বলেন নগর উন্নয়ন ও পরিবেশ রক্ষায় মিডিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

ঢাকা স্কুল অব ইকনোমিকস এর প্রফেসর ড. এ.কে এম. নজরুল ইসলাম পরিবেশ রক্ষায় সুনাগরিকের গুণাবলীর কথা বলেন। টেকসই নগর উন্নয়নের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি নগর উন্নয়নে ও পরিবেশ সংরক্ষনের ক্ষেত্রে নাগরিকদের আচরণগত পরিবর্তনের কথা তুলে ধরেন। তিনি পরিবেশ সংরক্ষনের জন্য নগরের নাগরিকদের উদ্যোগী হওয়ার পরামর্শ দেন। তিনি নগররের ভূমির সঠিক ব্যবহারের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন এবং সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণের আহবান জানান। গরিবদের জন্য বিশেষ গৃহ নির্মাণ স্কিম গ্রহণের অনুরোধ জানান।

নগর পরিকল্পনাবিদ ড. এ জেড. এম. তৌফিক বলেন নগরের ভূমি ব্যবহারের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রয়োজন। দেশের ৫০০ শহর ও নগর তৈরির জন্য একই ধরনের পরিকল্পনা প্রয়োজন নেই। স্থান কাল ভেদে পরিকল্পনার প্রকৃতি ভিন্নতর হওয়া দরকার। নগর উন্নয়নের সঠিক নির্দেশনা থাকার প্রয়োজন এবং সুনির্দিষ্ট অর্থনৈতিক নীতিমালাও থাকতে হবে। তিনি আরো বলেন যে, যত্রতত্র নগর গড়ে তোলা উচিত নয়। জনসংখ্যার ভিত্তিতে নগর তৈরি না হলে নগর উন্নয়ন ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা যায় না। তিনি নগর উন্নয়নে সেবা সংস্থা সমূহের মধ্যে সমন্বয় বজায় রাখার কথা বলেন। নগর উন্নয়নে প্লানারদের সাথে অর্থনীতিবিদদের এক সাথে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন।

প্রকৌশলী ড. মান্নান বলেন পানি, গ্যাস, বিদ্যুৎ সুয়ারেজ এসবের সঠিক বন্টন নীতিমালা থাকা দরকার। তিনি আরো বলেন- ময়লা পাানি, পায়খানার পানি একই পথে যাওয়ার নিয়ম না থাকলেও এ নগরীতে তাই হচ্ছে। নগর সমস্যা সৃষ্টির ক্ষেত্রে নাগরিকদের ভূমিকা শতকরা ৮০% বলে তিনি মনে করেন। যানযট মুক্ত মহানগরীর জন্য মেট্রো রেল ২০১৮ সালে চালু হবে, অনেক ফ্লাইওভার হয়েছে, আরো ফ্লাইওভার করার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। মেট্রো রেল চালু হলে রাস্তার বাস ও যান কমবে, জ্যাম কমে আসবে। মহানগরীর উপর জনসংখ্যার চাপ হ্রাস করার লক্ষ্যে দেশের অন্যান্য নগর ও শহর উন্নয়নের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের পরিচালক অধ্যাপক হান্নানা বেগম বলেন- সবুজ ব্যাকিং ব্যবহার বৃদ্ধি করতে হবে। সবুজ ব্যাংকিং, সবুজ নগরী গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ভূমিকা পালন করেন।

এই বিভাগের আরো সংবাদ