'ইন্টারনেট সেফটি সলিউশনের জন্য কাজ করছে সরকার'
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » টেক

‘ইন্টারনেট সেফটি সলিউশনের জন্য কাজ করছে সরকার’

ফেসবুক, ভাইবার, হোয়াটসঅ্যাপসহ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলো বন্ধ থাকায় তা সন্ত্রাস ও নাশকতা দমনে কার্যকর ভূমিকা রেখেছে বলে জানিয়ে ডাক, তার ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেন, ইন্টারনেট সেফটি সলিউশন নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার। বিভিন্ন নিরাপত্তা ইস্যুতে ফেসবুকের সঙ্গে একটি চুক্তির বিষয়ে আলোচনা চলছে।

আজ সোমবার সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। ছবি: সংগৃহিত

ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। ছবি: সংগৃহিত

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফেসবুক, ভাইবার, হোয়াটসঅ্যাপসহ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলো বন্ধ থাকায় তা সন্ত্রাস ও নাশকতা দমনে কার্যকর ভূমিকা রেখেছে। দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধের এই সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এটা বন্ধ থাকবে।

পরবর্তী নির্দেশের বিষয়ে তিনি বলেন, সামাজিক এই যোগাযোগমাধ্যম বন্ধের জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে একটি সমন্বিত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যখন আবার সমন্বিতভাবে সিদ্ধান্ত আসবে, তখনই খুলে দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, ফেসবুক ব্যবহার করে যে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড করা হয়, সরকার যেন তা তদারক করতে পারে সে জন্য ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। এর ফলে জননিরাপত্তা নিশ্চিত হবে এবং ফেসবুক অপব্যবহারকারীদের ধরতে পারবে সরকার।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ না করে নাশকতাকারীদের দমন সম্ভব কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, এর আগে অন্য মানবতাবিরোধী অপরাধীদের রায়ের পর ফেসবুক ব্যবহার করে অনেক ধরনের নাশকতা হয়েছে। তবে এবার ফেসবুক বন্ধ থাকায় তেমন বড় কোনো ঘটনা ঘটেনি। এটাকেই সরকার সাফল্য হিসেবে দেখছে।

মাথাব্যথার জন্য মাথা কেটে ফেলার সঙ্গে ফেসবুক বন্ধের সিদ্ধান্তকে তুলনা করা হলে- তারানা হালিম বলেন, মন্ত্রিপরিষদের কিছু সদস্য আমাকে এমন প্রশ্ন করেছেন। তবে আমরা মাথা কেটে ফেলিনি, কিছু সুবিধা বন্ধ করেছি মাত্র। এসবও সাময়িকভাবে করা হয়েছে। এখনও পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। সময়মতো সব খুলে দেওয়া হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার আইনসম্মতভাবেই এসব বন্ধ করে রেখেছে। দেশের জননিরাপত্তা, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা সবকিছু দেখা সরকারের দায়িত্ব। এই নিরাপত্তা বিধানের জন্য সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এমন সিদ্ধান্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই নেওয়া হয়েছে। কোনো কোনো দেশ আছে, যারা পুরো ইন্টারনেট সুবিধাই বন্ধ করে দেয়। বাংলাদেশে সেটা করা হয়নি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো বন্ধ থাকায় দেশের ই-কমার্স ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন- এর প্রতিকার সম্পর্কে তিনি বলেন, একজন মানুষের জীবনের মূল্য অনেক বেশি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ থাকায় ই-কমার্স ব্যবসায়ীদের অর্থের যে ক্ষতি হচ্ছে- সেই ক্ষতি মেনে নিতে সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

এই বিভাগের আরো সংবাদ