বিপিএলের প্রথম ম্যাচে রংপুরের নাটকীয় জয়
today-news
brac-epl
প্রচ্ছদ » ক্রিকেট

বিপিএলের প্রথম ম্যাচে রংপুরের নাটকীয় জয়

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) তৃতীয় আসরের প্রথম ম্যাচে নাটকীয় জয় পেয়েছে রংপুর রাইডার্স। শ্বাসরুদ্ধকর এই ম্যাচে  চিটাগাং ভাইকিংসকে ২ উইকেটে হারিয়েছে  সাকিব বাহিনী।

রংপুর রাইডার্সের জয়ের পর ম্যাচের নায়ক মিসবাহর সঙ্গে স্যামি। ছবি সংগৃহীত

রংপুর রাইডার্সের জয়ের পর ম্যাচের নায়ক মিসবাহর সঙ্গে স্যামি। ছবি সংগৃহীত


রোববার ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৮৭ রান সংগ্রহ করে চিটাগাং ভাইকিংস। জবাবে ২ উইকেট হাতে রেখে ইনিংসের শেষ বলে কাঙ্খিত জয়ের বন্দরে পৌঁছে রংপুর রাইডার্স।

১৮৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে প্রথমেই বিপদে পড়ে রংপুর রাইডার্স। মাত্র ২৩ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়ে দলটি। এসময় সিমন্স, সৌম্য, মিঠুন, সাকিব সাজঘরে ফিরলে একেবারে খাদের কিনারায় পড়ে যায় রংপুর। তবে একপ্রান্ত আগলে রাখেন পাকিস্তানের মিসবাহ্ উল হক। তিনি আল আমিনের সঙ্গে একটি ছোট অথচ খুবই গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন। দলীয় ৮৭ রানে আমিন সাজঘরে ফিরে গেলে ক্রিজে আসেন শ্রীলঙ্কার থিসারা পেরেরা।

একসময় যে জয়কে রংপুরের জন্য দু:সাধ্য মনে হচ্ছিল তা সহজ করে তোলেন এ জুটি। তারা গড়েন ৮০ রানের বিস্ফোরক জুটি। মাত্র ১৭ বলে ৪৩ রানের মাতারা ইনিংস খেলে পেরেরা সাজঘরে ফিরলেও ক্রিজে থাকেন মিসবাহ্। তিনি ৩৯ বলে ৬১ রান  করে আউট হন। ততক্ষণে ম্যাচ প্রায় রংপুরের অনুকূলে চলে আসে। এরপর ছোট ছোট অবদানে বাকী কাজটুকু সারেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্যামি এবং বাংলার সজীব, সানি। টানটান উত্তেজনায় শেষ বলে জয় ছিনিয়ে নেয় রংপুর। শেষ পর্যন্ত ২ উইকেটে জয় পায় রংপুর রাইডার্স।

এদিন বোলিংয়ে সবচেয়ে বিধ্বংসী ছিলেন স্পট ফিক্সিংয়ের দায়ে পাঁচ বছরের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলার ছাড়পত্র পাওয়া পাকিস্তানি পেসার মোহাম্মদ আমির।  তিনি  নিজের করা ২য় ও ৪র্থ ওভারে ২টি করে উইকেট তুলে নিয়ে খেলার মোড় ঘুরালেও শেষ পর্যন্ত  জয়ের স্বাদ থেকে বঞ্চিত হন।

চিটাগাং ভাইকিংসের হয়ে মোহাম্মদ আমির ৪টি এবং তাসকিন, শফিউল, চিগুম্বুরা নেন ১টি করে উইকেট।

এর আগে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৮৭ রান সংগ্রহ করে চিটাগাং ভাইকিংস। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫১ রান করেন অধিনায়ক তামিম ইকবাল। জীবন মেন্ডিসের ব্যাট থেকে আসে ৩৯ রান। এছাড়া  আনামুল হক ৩৬ এবং দিলশান ২৯ রান করেন।

রংপুর রাইডার্সের হয়ে সাকলাইন সজিব ৩টি এবং আবু জায়েদ ২টি উইকেট নেন।

ম্যাচসেরা হন মিসবাহ্ উল হক।

 

রংপুর রাইডার্স একাদশ:

সৌম্য সরকার, ড্যারেন সামি, লিন্ডল সিমন্স, সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), থিসারা পেরারা, মোহাম্মদ মিঠুন, মিজবাহ-উল-হক, মোহাম্মদ আল আমিন, আরাফাত সানি, সাকলাইন সজিব ও আবু জায়েদ।

চিটাগাং ভাইকিংস একাদশ:

তামিম ইকবাল (অধিনায়ক), তিলকারত্নে দিলশান, আনামুল হক, আসিফ আহমেদ, জীবন মেন্ডিস, এলটন চিগুম্বুরা, তাসকিন আহমেদ, জিয়াউর রহমান, এনামুল হক জুনিয়র ও মোহাম্মদ আমির।

 

এই বিভাগের আরো সংবাদ